|
| |
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

খুলনায় ২০ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই খুন 

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
৪১১ পঠিত
খুলনায় ২০ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই খুন 
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
খুলনায় ২০ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রায়েরমহল এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন হুমায়ুন কবির। এরে আগে শনিবার রাতে লবণচরা এলাকায় শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। দুই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ক...
খুলনায় ২০ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রায়েরমহল এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন হুমায়ুন কবির। এরে আগে শনিবার রাতে লবণচরা এলাকায় শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। দুই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। নিহতরা হলেন লবণচরা উপজেলার বুড়ো মৌলভির দরগা এলাকার মাহাতাব শেখের ছেলে শহীদুল। এবং মৃত সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে হুমায়ুন কবির। তিনি খুলনা মহানগর তাঁতিদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘ইল ক্যান্টিনে’ দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন হুমায়ুন কবির। স্থানীয়দের ভাষ্য, সন্ধ্যার দিকে ইল ক্যান্টিনে বসে থাকা অবস্থায় একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র, রামদা ও চাপাতি নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপানোর পাশাপাশি বুকে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে শনিবার রাত ১১টার দিকে নগরীর লবণচরা থানাধীন দরগা কাশেমিয়া মসজিদসংলগ্ন এলাকায় শহীদুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  খুলনা মহানগর তাঁতিদলের আহ্বায়ক মো. আবু সাঈদ বলেন, হুমায়ুন কবির মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। হত্যার খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে এসেছেন। তবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি। লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, নিহত শহীদুলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতটি ও হত্যা মামলা একটি, মোট আটটি মামলা রয়েছে। তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকতেন না। সপ্তাহে দুই-তিন দিন ওই এলাকায় আসতেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। রাত ১১টার দিকে তাকে কুপিয়ে আহত করার খবর পাওয়া যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি। হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান বলেন, ঘটনাটি শুনে বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: কালবেলা