|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

গোপনে মায়ের স্বর্ণালংকার তুলে দেওয়ার পরও কিশোরকে অপহরণ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০১:১৪ এএম
৩১১ পঠিত
গোপনে মায়ের স্বর্ণালংকার তুলে দেওয়ার পরও কিশোরকে অপহরণ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কিশোর গ্যাং ও হানিট্র্যাপ চক্রের ফাঁদে পড়ে গোপনে মায়ের  স্বর্ণালংকার ও টাকা চক্রের হাতে তুলে দিয়েছিল ১৩ বছর বয়সী কিশোর রেদওয়ান রহমান রুমান। এতেও সন্তুষ্ট না হয়ে বাড়তি টাকা ও স্বর্ণালংকার আদায়ে ওই কিশোরকেই অপহরণ করে চক্রের সদস্যরা। এমন অভিযোগে চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থ...

কিশোর গ্যাং ও হানিট্র্যাপ চক্রের ফাঁদে পড়ে গোপনে মায়ের  স্বর্ণালংকার ও টাকা চক্রের হাতে তুলে দিয়েছিল ১৩ বছর বয়সী কিশোর রেদওয়ান রহমান রুমান। এতেও সন্তুষ্ট না হয়ে বাড়তি টাকা ও স্বর্ণালংকার আদায়ে ওই কিশোরকেই অপহরণ করে চক্রের সদস্যরা।

এমন অভিযোগে চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় অপহৃত কিশোর এবং ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার করেছেন তারা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার এই তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মেহেদী হাসান (২৬), প্রিয়াঙ্কা (২৩), সাকিবুল হাসান প্যাদা (১৮), হৃদয় মাঝি (১৭), মো. তাহের (১৮) এবং তানজিল হাওলাদার (১৭)। শুক্রবার গভীর রাত ৪টার দিকে নগরীর সাগরদী ব্র্যাঞ্চ রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার জানান, রূপাতলী গাউছিয়া সড়ক এলাকার মিজানুর রহমানের ১৩ বছর বিয়সী ছেলে রেদোয়ান রহমান রুমান গত ২৯ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে নগরীর ভাটারখাল এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ৩০ অক্টোবর কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তার মা রেমিজা বেগম।

পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মিহির চন্দ্র দাস তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্যের সহযোগিতায় নগরীর সাগরদী ব্র্যাঞ্চ রোড এলাকায় অপহরণকারী কিশোর গ্যাং ও হানিট্র্যাপ চক্রের সদস্যদের আস্তানা শনাক্ত করেন।

পরে অভিযান চালিয়ে চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং অহৃত কিশোরকে উদ্ধার করেন এসআই মিহিরের নেতৃত্বাধীন টিম। পাশাপাশি সেখান থেকে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া স্বর্ণ বিক্রির ২৭ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল ফোন, ২টি স্বর্ণের টানা ও ১টি স্বর্ণের আংটি উদ্ধার করা হয়। চক্রটির কাছে থাকা বাকি স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

উদ্ধার কিশোর রুমানের বরাতে উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার জানান, কিশোর গ্যাং চক্রটি কৌশলে তাকে আটকে রেখে হাতে জোরপূর্বক মাদকদ্রব্য (গাঁজা) দিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি তোলে। পরে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এবং মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে।

ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে কিশোরটি বিভিন্ন সময়ে তার বাসা থেকে ২টি স্বর্ণের আংটি, ২ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও নগদ ৭ হাজার টাকা এনে চক্রের হাতে তুলে দেয়। এরপর চক্রটি আরও টাকা ও স্বর্ণালংকারের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু দাবি পূরণ করতে না পারায় গত ২৯ অক্টোবর রাতে তাকে ভাটারখাল এলাকা থেকে অপহরণের পর তাদের আস্তানায় আটকে রাখা হয়।
 

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স