|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ছোবল খেয়ে মুঠোফোনের আলোয় সাপ ধরলেন, নিয়ে গেলেন হাসপাতালে

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:১১ এএম
৪৩৯ পঠিত
ছোবল খেয়ে মুঠোফোনের আলোয় সাপ ধরলেন, নিয়ে গেলেন হাসপাতালে
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
সাপের ছোবল খেয়ে জ্যান্ত সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

ছোবল খেয়ে জ্যান্ত সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সাপটি বিষধর নয়। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুল কাদের (৫০)। তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আঙ্গারগাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি সাপ তাঁকে ছোবল দেয়। তখন মুঠোফোনের আলো জ্বেলে খুঁজে সাপটিকে ধরে ফেলেন তিনি। পরে লোকজনকে ডেকে জড়ো করেন। তাঁদের সহযোগিতায় সাপটিকে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরেন। আঙ্গারগাড়া এলাকাটি সখীপুরের কাছাকাছি। তিনি দ্রুত সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপটি নিয়ে আসেন।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে আবদুল কাদের জ্যান্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছান। পরে তাঁর স্বজনেরা একজন সাপুড়েকে ডেকে আনেন। সাপুড়ে এসে সাপটি নিয়ে যান।

সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা সেলিম কবির প্রথম আলোকে জানান, গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে আবদুল কাদের জ্যান্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছান। বিষয়টির ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সাপ দেখতে হাসপাতালে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। পরে রোগীর স্বজনেরা একজন সাপুড়েকে ডেকে আনেন। সাপুড়ে এসে সাপটি নিয়ে যান।

চিকিৎসক সেলিম কবির বলেন, ‘লোকটির সাহস দেখে অবাক হয়েছি। তিনি জ্যান্ত সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, সাপটি বিষধর নয়। তাই তাঁর শরীরে অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কাউকে সাপে কামড়ালে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আসা উচিত। সাপ ধরতে যাওয়া আরও বিপজ্জনক। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।’

সূত্র: প্রথম আলো