|
| |
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ট্রাইব্যুনালের বিচারকের সইয়ে চালকের বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম স্থগিত

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
৪২০ পঠিত
ট্রাইব্যুনালের বিচারকের সইয়ে চালকের বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম স্থগিত
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭–এর বিচারক সোহেল রানার সইয়ে একই ট্রাইব্যুনালের গাড়িচালক মো. আলী হোসেনের (বাচ্চু) বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ দেন। বিভাগীয় মামলার কার্যধারার বৈধতা নিয়ে গাড়িচালক আলী হোসেন আবেদনকারী হয়ে গত মাসে রিটটি করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. বাকির হোসেন ও আবু সাদেক আবদুল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার বিষয়ে গাড়িচালক মো. আলী হোসেন অভিযোগ করেন যে গত ২৩ আগস্ট সকালে বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর দাবি, গাড়ির লগবইয়ে সময় উল্লেখ নিয়ে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে বিচারক তাঁর চোখে ঘুষি ও কানের ওপর থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি চিকিৎসা নেন ও চোখে ব্যান্ডেজ করতে হয়।

অবশ্য ওই অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা ইশতিয়াক হোসেন অস্বীকার করেছেন বলে গণমাধ্যমের খবরে এসেছে। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাঁর দাবি, গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলী হোসেনকে খাসকামরায় ডাকা হয়েছিল। একপর্যায়ে বিচারক তাঁকে ধমক দিয়ে বের করে দেন। তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

বিষয়টি নজরে আসার পর গত ২৭ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ঘটনাটি অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দেয়। এ জন্য ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এ অবস্থায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭–এর বিচারক সোহেল রানা গাড়িচালকের বিরুদ্ধে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় ওই মামলাটি করেন বলে জানান রিট আবেদনকারীর আইনজীবী মো. বাকির হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের অনুসন্ধান কমিটি ও মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম অনিস্পন্ন থাকা অবস্থায় বিভাগীয় ওই মামলার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। এখানে বিচারক নিজেই বাদী, আবার নিজেই বিচারক, যে কারণে আলী হোসেন বিভাগীয় মামলার বৈধতা নিয়ে রিটটি করেন। হাইকোর্ট বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম প্রশ্নে রুল দিয়ে তিন মাসের জন্য মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো