|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

দুই সংগঠন অবরোধ তুললেও সাজেকে চলছে না যানবাহন, ভোগান্তিতে মানুষ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৮ এএম
৩৭৫ পঠিত
দুই সংগঠন অবরোধ তুললেও সাজেকে চলছে না যানবাহন, ভোগান্তিতে মানুষ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
দুটি সংগঠন এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিল করলেও এখন আবার পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে গাড়ি চলাচল করছে না। স্থানীয় মানুষ খুবই ভোগান্তিতে রয়েছেন।

সাজেকের পর্যটন সড়কে টানা ১০ দিন ধরে চলা অবরোধ কর্মসূচি আজ রোববার এক দিনের জন্য শিথিলের ঘোষণা দেওয়া হলেও চলছে না কোনো যানবাহন। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। সাজেক সড়ক এক দিনের জন্য খুলে না দিয়ে স্থায়ীভাবে খুলে দেওয়ার দাবিতে তাঁরা ধর্মঘট পালন করেছেন।

সাজেকে গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে তৃতীয় দফায় ২২ অক্টোবর থেকে অবরোধ কর্মসূচি চলে আসছিল। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদা ও ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আজ এক দিনের জন্য অবরোধ কর্মসূচি শিথিলের ঘোষণা দেয় সংগঠন দুটি। গত শুক্রবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বাসস্টেশনের লাইনম্যান স্বপন চাকমা প্রথম আলোকে জানান, ‘পরিবহন খাতের সবাই মিলে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা এবং দীঘিনালা থেকে মারিশ্যা ও সাজেক সড়কে ধর্মঘট ডেকেছেন। এক দিনের জন্য সাজেক খুলে না দিয়ে স্থায়ীভাবে খুলে দেওয়ার দাবিতেই মূলত এই পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।’

একই কথা জানান বাঘাইহাট-সাজেক রুটের লাইনম্যান মো. জসিম। তিনি বলেন, ‘সাজেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিবহন খাতে নিয়োজিত মালিক-শ্রমিকেরা এই ধর্মঘট ডেকেছেন।’

সাজেকে গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অবরোধের কারণে ১০ দিন ধরে যান চলাচল না করায় সাজেকের বিভিন্ন স্থানে নিত্যপণ্য সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। অবরোধ শিথিলের দিন পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে নিত্যপণ্যের সংকট প্রকট হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বনবিহারী চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুটি সংগঠন এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিল করলেও এখন আবার পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে গাড়ি চলাচল করছে না। স্থানীয় মানুষ খুবই ভোগান্তিতে রয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডের অধিকাংশ মানুষ জুমচাষি। তাঁরা জুমে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু গাড়ি না চলায় জুমে উৎপাদিত কলা, পেঁপেসহ নানা কৃষিপণ্য খেতেই পেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’

জানতে চাইলে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাজেকে যান চলাচল করছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো