|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে হামলা, পুলিশ সদস্যসহ আহত ১৫

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ পিএম
৩১০ পঠিত
নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে হামলা, পুলিশ সদস্যসহ আহত ১৫
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নববধূকে বিয়েবাড়ি থেকে নিয়ে ফেরার পথে অটোরিকশাচালকদের হামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাটখাল গরুর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. কাউসার মিয়া। তবে প্রাথমিকভাবে অন্য আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। এসময় কনের পরিবারের সদস্য...

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নববধূকে বিয়েবাড়ি থেকে নিয়ে ফেরার পথে অটোরিকশাচালকদের হামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাটখাল গরুর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

আহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. কাউসার মিয়া। তবে প্রাথমিকভাবে অন্য আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। এসময় কনের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মারধরের পাশাপাশি টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগও উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের রানীগঞ্জ এলাকায় স্বপন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় বৈরাটি ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামের জোনাকি আক্তারের। শনিবার দুপুরে বিয়েবাড়িতে খাওয়া-দাওয়া শেষে নবদম্পতিকে নিয়ে কনের স্বজনেরা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে কাটখাল গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে চরকাটখাল এলাকার অটোরিকশাচালক দয়াল মিয়া তাদের সঙ্গে থাকা এক স্বজনকে ধাক্কা দেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে দয়াল মিয়া ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন অটোরিকশাচালক তাদের ওপর হামলা চালান। এতে কনের পরিবারের ১৪ জন আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এসময় হামলাকারীরা পুলিশের ওপরও হামলা চালালে কাউসার মিয়া নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্বজনদের টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নেওয়া হয়েছে। আহত ১৪ স্বজনকে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

বৈরাটি ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামের বাচ্চু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, অটোরিকশাচালক দয়াল মিয়া মূলত গরুর হাট এলাকার অটোরিকশা স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করেন। এ কারণে এলাকায় প্রভাব খাটান তিনি। তার নেতৃত্বেই তাদের স্বজনদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছেন অভিযুক্ত দয়াল মিয়ার স্ত্রী রূপ নাহার। দয়াল মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন। রূপ নাহার জানান, মাইজচরের লোকজন বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে সাইড দেওয়ার জন্য তার স্বামী অটোরিকশার হর্ন বাজান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তার স্বামীর ওপর হামলা চালান। তার স্বামীকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়।

কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল গাফফার মুঠোফোনে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। একপর্যায়ে দয়াল মিয়া ও তার লোকজন পুলিশের ওপরও হামলা করেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স