গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৪৭ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘আইডিজি কার্নিভ্যাল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। নারী ও পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

আগামীর বাংলাদেশ গড়তে সরকার নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোরও কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেভ দ্য চিলড্রেনের অভিজ্ঞতা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

‘শিকড়ের শক্তিতে, এগিয়ে যাক প্রতিটি কিশোরী’ প্রতিপাদ্যে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এই কার্নিভ্যালের আয়োজন করে। কন্যাশিশু ও কিশোরীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, নেতৃত্ব বিকাশ, ক্ষমতায়ন এবং সমাজের সর্বস্তরে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে এবং জাতীয় যুব নেটওয়ার্ক (এনওয়াইএন) ও নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় সেভ দ্য চিলড্রেনের একটি প্রকল্পের আওতায় এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, মাহমুদা হাবিবা ও মনসুরা আক্তার। এ ছাড়া জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) বাংলাদেশ কার্যালয়ের কিশোর-কিশোরী ও যুব কার্যক্রমের প্রধান ইলিজা আজেই উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা কন্যাশিশু ও কিশোরীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, কিশোরীদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ, সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কিশোরীদের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, তাদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে আরও সমতাভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয় অনুষ্ঠানে।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।