প্রিন্ট এর তারিখঃ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম || প্রকাশের তারিখঃ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:১২ পিএম
দেশে উৎপাদিত ট্রান্সফরমার, সুইচগিয়ারসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম রপ্তানি করে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার আয়ের সম্ভাবনা দেখছেন খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, সরকারি ক্রয়ে দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার, কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম শিল্প দেশের রপ্তানি আয়ের নতুন উৎস হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে আগামী ১০ বছরে ১ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রান্সফরমার্স অ্যান্ড সুইচগিয়ার্সের (বিম্যাটস) প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে এ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্ববাজারে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের বর্তমান বাজার ৫০০ বিলিয়ন ডলারের। আগামী ১০ বছরে তা ৯০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে দেশের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের চাহিদা প্রায় ৪৭৫ কোটি ডলারের হলেও এর ৭৫ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।
বিম্যাটসের ৩৩টি সদস্য প্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক দেশীয় প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য উৎপাদন করছে। সংগঠনটির কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ভারত, নেপাল, তানজানিয়াসহ আটটি দেশে ২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে।
বিম্যাটসের সভাপতি প্রকৌশলী আলী আজম বলেন, দেশীয় শিল্পের প্রসারে যৌক্তিক কর কাঠামো, সরকারি নীতি সহায়তা ও পণ্যের মান যাচাইয়ের সুযোগ প্রয়োজন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। আলোচনায় সরকারি ক্রয়ে মানসম্পন্ন দেশীয় পণ্যকে অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সূত্র: কালবেলা