গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:০৮ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৩০ এএম

৬৭ হাজার টাকা নিয়ে শহরে এসেছিলেন, এখন ২০ কোটি টাকার মালিক

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
৬৭ হাজার টাকা নিয়ে শহরে এসেছিলেন, এখন ২০ কোটি টাকার মালিক

করপোরেট চাকরির নিরাপদ জীবন ছেড়ে কমেডিয়ান হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন সুমুখী সুরেশ। কিন্তু মুম্বাইয়ে এসে বুঝেছিলেন, স্বপ্নের চেয়ে ব্যয়বহুল শহরের বাস্তবতা অনেক কঠিন। এখন নেটফ্লিক্সে নিজের প্রথম স্ট্যান্ডআপ কমেডি বিশেষ অনুষ্ঠান ‘হোমোনাল’ নিয়ে আলোচনায় তিনি।

অনুষ্ঠানটি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের শুরুর দিনগুলোর কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন, স্বপ্নের পেছনে ছুটতে গিয়ে অর্থের টানাপোড়েন, অনিশ্চয়তা আর টিকে থাকার লড়াই কীভাবে তাঁর নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছিল।

মুম্বাইয়ে আসার সময়কার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে সুমুখী বলেন, ‘অন্য সবার মতো আমাকেও সংগ্রাম করতে হয়েছে। সব সময়ই অর্থের টানাপোড়েন ছিল। কারণ, আমি কিছুটা অবাস্তব কল্পনার মধ্যেও ছিলাম। যখন মুম্বাইয়ে আসি, তখন আমার ব্যাংক হিসাবে মাত্র ৫০ হাজার রুপি (প্রায় ৬৭ হাজার টাকা) ছিল। ভেবেছিলাম, এই টাকা দিয়ে তিন–চার মাস চলে যেতে পারব। এখন মনে হয়, কী হাস্যকর ধারণা ছিল সেটা! মুম্বাইয়ে এক সপ্তাহের মধ্যেই এই টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে।’

তাঁর কথায়, তখন সবচেয়ে বড় চিন্তা ছিল অর্থ উপার্জন ও নতুন শহরে টিকে থাকা। করপোরেট জীবনের নিরাপত্তা ছেড়ে আসার পর সিদ্ধান্তটির পরিণতি নিয়ে খুব বেশি ভাবেননি। পরে অবশ্য বুঝেছেন, জীবনের বড় সিদ্ধান্তের সঙ্গে বড় ঝুঁকিও জড়িয়ে থাকে।

নিরাপদ চাকরি ছেড়ে অন্য এক জীবনের খোঁজে
নাগপুরের একটি মধ্যবিত্ত ও রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা সুমুখীর কমেডিয়ান হওয়ার পরিকল্পনা শুরুতে খুব স্বাভাবিক ছিল না। পড়াশোনা শেষে কাজের জগতে প্রবেশ করেছিলেন। পুষ্টিবিজ্ঞান, খাদ্য ও ডায়েটেটিকস বিষয়ে পড়াশোনার পর কাজ করেছেন খাদ্য পরীক্ষাগার ও খাদ্যমান যাচাইয়ের প্রতিষ্ঠানে। করপোরেট চাকরিতে কেটেছে জীবনের এক দশকের বেশি সময়।

সুমুখী সুরেশ। শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

কিন্তু কাজের বাইরে নিজের সৃজনশীল আগ্রহকে জায়গা দিতে চাইতেন তিনি। শুরুতে সন্ধ্যার সময়টুকু কাজে লাগাতে ইম্প্রোভাইজেশন বা তাৎক্ষণিক অভিনয়ের চর্চা শুরু করেন। পাশাপাশি স্ট্যান্ডআপ কমেডি ও ছোট ছোট স্কেচ তৈরি করতেন। ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন, এই কাজগুলোর প্রতিই তাঁর আগ্রহ বেশি।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সুমুখী বলেন, করপোরেট জীবনে থাকার সময়ই তাঁর মনে হয়েছিল, কিছু একটা অপূর্ণ রয়ে যাচ্ছে। ইম্প্রোভ, স্ট্যান্ডআপ ও স্কেচ কমেডি করতে শুরু করেছিলেন। একসময় এসবের পাশাপাশি চাকরি সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। তখনই কমেডিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

পেছনে ফিরে নিজের সিদ্ধান্তকে বড় পদক্ষেপ হিসেবেই দেখেন তিনি। কারণ, চাকরি ছেড়ে এমন একটি পেশায় আসা, যেখানে নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা নেই, সহজ ছিল না। বিশেষ করে পরিবারের রক্ষণশীল পরিবেশ থেকে উঠে আসা একজন নারীর জন্য নিজের পছন্দের জীবন বেছে নেওয়ার বিষয়টিও ছিল আলাদা চ্যালেঞ্জ।
কমেডি দিয়ে নিজের জায়গা তৈরি

সুমুখীর ক্যারিয়ারের শুরুটা অবশ্য মুম্বাইয়ে নয়, বেঙ্গালুরুতে। ২০১৩ সালের দিকে সেখানকার স্ট্যান্ডআপ কমেডির জগতে যুক্ত হন তিনি। তখন নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি কমেডির চর্চা করতেন। পরে ছোট ছোট ভিডিও ও স্কেচের মাধ্যমে পরিচিতি পেতে শুরু করেন।

২০১৪ সালে ‘আনু আন্টি (দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্থেম)’ নামের একটি প্যারোডি ভিডিওতে অভিনয় করে অনলাইনে নজর কাড়েন। বেঙ্গালুরু–ভিত্তিক কমেডি দল দ্য এনথু কাটলেটসের সঙ্গে কাজ করা এই ভিডিওতে তিনি এমন এক আন্টির চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নাক গলাতে ভালোবাসেন। চরিত্রটি দর্শকের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়।

সুমুখী সুরেশ। শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

এরপর ‘বেহতি নাক’সহ বিভিন্ন কমেডি স্কেচে কাজ করেন। জায়গা করে নেন ‘বেটার লাইফ ফাউন্ডেশন’ নামের মকুমেন্টারি সিরিজেও। অভিনয়, লেখালেখি ও কমেডি—তিন ক্ষেত্রেই নিজের দক্ষতা দেখাতে শুরু করেন।

সুমুখীর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ‘পুষ্পাবল্লী’। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর এই সিরিজে নামভূমিকায় অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। প্রেমের টানে বেঙ্গালুরুতে আসা এক তরুণীর গল্প নিয়ে তৈরি সিরিজটি প্রচলিত রোমান্টিক গল্পের বাইরে গিয়ে এক অস্বস্তিকর, জটিল নারী চরিত্রকে সামনে আনে। প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে আবেগ, অধিকারবোধ ও অনুসরণের প্রবণতা কীভাবে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, তা কমেডির মোড়কে তুলে ধরা হয়।

২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম মৌসুমের পর ২০২০ সালে আসে দ্বিতীয় মৌসুম। সিরিজটি সুমুখীকে অভিনেত্রী ও নির্মাতা হিসেবে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ২০২১ সালের এক প্রতিবেদনে তাঁকে ভারতের ডিজিটাল বিনোদনজগতের শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট নির্মাতাদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

শুধু অভিনয় নয়, নিজের চরিত্র নিজেই তৈরি করেছেন
অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথটিও সহজ ছিল না। প্রচলিত কাস্টিংয়ের ধরন নিয়ে একাধিকবার হতাশা প্রকাশ করেছেন সুমুখী। তাঁর মতে, প্রচলিত সৌন্দর্যের মাপকাঠির সঙ্গে না মিললে অনেক অভিনেত্রীই পছন্দের চরিত্র পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

২০২১ সালে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুমুখী জানিয়েছিলেন, অভিনয় করতে চাইলেও তাঁকে প্রায়ই বোন কিংবা বন্ধুর মতো পার্শ্বচরিত্রের কথা ভাবা হতো। তাই নিজের জন্য প্রধান চরিত্র তৈরি করতে চেয়েছিলেন। সেই ভাবনা থেকেই ‘পুষ্পাবল্লী’ নির্মাণের উদ্যোগ।

সুমুখী সুরেশ। শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

একই বছর নিজের প্রযোজনা ও কনটেন্ট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মোটরমাউথ চালু করেন। সিনেমা, সিরিজ ও ব্র্যান্ডের জন্য কনটেন্ট তৈরির পাশাপাশি নারী চরিত্রের প্রচলিত উপস্থাপনাও বদলাতে চেয়েছেন তিনি। তাঁর ভাবনা ছিল, পর্দায় নারীদের শুধু আদর্শ স্ত্রী, আকর্ষণীয় প্রেমিকা কিংবা খলনায়িকা হিসেবে দেখানো হবে না; বরং বাস্তব জীবনের মতোই তাঁদের মধ্যে থাকবে নানা বৈপরীত্য, ভুল, দুর্বলতা ও শক্তি।
সুমুখীর ভাষায়, গল্প বলার ধরন বদলাতে হলে শুধু অভিযোগ করলে হবে না, নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতেও নারীদের থাকতে হবে।

‘হোমোনাল’ কেন আলাদা
সুমুখীর সাম্প্রতিক কাজ ‘হোমোনাল’। ২০২১ সালে অনুষ্ঠানটির ধারণা ও লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। পরে ভারতের বিভিন্ন শহরে শো করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চেও এটি পরিবেশন করেন। ২০২৪ সালে এডিনবরা ফ্রিঞ্জ উৎসবে অংশ নেওয়া ছিল তাঁর জন্য উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা।

২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় অনুষ্ঠানটির বিশেষ সংস্করণ। এটি তাঁর প্রথম নেটফ্লিক্স স্ট্যান্ডআপ স্পেশাল। এখানে নিজের তিরিশের দশকের জীবন, সম্পর্ক, একাকিত্ব, শরীরের পরিবর্তন, হরমোনজনিত সমস্যা, বিয়ে ও মাতৃত্ব নিয়ে সামাজিক চাপ—সবকিছুই হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি।
অনুষ্ঠানটির নামও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ‘হোমোনাল’ শব্দটি হরমোনের পরিবর্তন এবং নারীর যৌনতা ও সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মজা করে তৈরি। নামের মধ্যেই রয়েছে প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্ন করার ইঙ্গিত।

নেটফ্লিক্সের প্রকাশিত বিবরণে বলা হয়েছে, নারীর তিরিশের দশকের নানা জটিল অভিজ্ঞতা, সম্পর্ক ও মাতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন এবং সামাজিক প্রত্যাশাকে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন সুমুখী। অনুষ্ঠানটি নিয়ে তাঁর নিজেরও প্রত্যাশা ছিল না যে দর্শক এতটা আবেগের সঙ্গে যুক্ত হবেন।

সুমুখী সুরেশ। শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

প্রেম, একাকিত্ব ও রক্ষণশীলতার গল্প
‘হোমোনাল’-এ নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন সুমুখী। সম্প্রতি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, জীবনের প্রায় ১০ বছর একটি সম্পর্কে ছিলেন। একসময় বিয়ের জন্যও প্রস্তুত ছিলেন তিনি। কিন্তু পরে বুঝেছেন, নিজের জীবনকে নতুন করে সাজাতে হলে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

নাগপুরের রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠায় প্রেম, ডেটিং কিংবা নিজের পছন্দমতো জীবন কাটানোর বিষয়ে খুব বেশি স্বাধীনতা ছিল না তাঁর। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এখনকার সুমুখী নিজের বিশের দশকের সুমুখীকে পরামর্শ দিতে চান, একজন মানুষের মধ্যেই যেন পুরো জীবনকে সীমাবদ্ধ না করে ফেলেন।

সাক্ষাৎকারে সুমুখী বলেছেন, বিশের দশকের নিজেকে বলতেন, আরও আনন্দ করতে, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে এবং জীবনকে একটু হালকাভাবে নিতে। অতীতের সম্পর্ক নিয়ে অনুশোচনা না থাকলেও মনে করেন, তখন নিজের জন্য আরও কিছুটা স্বাধীনতা রাখা উচিত ছিল।

অনুষ্ঠানে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের বিচারমূলক মন্তব্য নিয়েও রসিকতা করেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, কমেডিয়ান হওয়ার জন্য চাকরি ছাড়ার পর আত্মীয়দের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। এখন আত্মীয়দের সঙ্গে খুব একটা যোগাযোগ রাখেন না। এসব অভিজ্ঞতাই তাঁর কমেডির উপাদান হয়ে উঠেছে।

নারী কমেডিয়ানদের জন্যও সহজ নয় মঞ্চ
ভারতে স্ট্যান্ডআপ কমেডির জনপ্রিয়তা বাড়লেও নারী কমেডিয়ানদের জন্য মঞ্চে নিজের কথা বলার জায়গা তৈরি করা এখনো সহজ নয়। বিশেষ করে নারীর শরীর, সম্পর্ক, যৌনতা ও সামাজিক ট্যাবু নিয়ে কথা বললে অনেক সময় সমালোচনা ও অনলাইন আক্রমণের মুখে পড়তে হয়।

২০২৬ সালের মে মাসে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে আরেক সাক্ষাৎকারে সুমুখী বলেছিলেন, নারী কমেডিয়ানদের প্রতিদিনই অনলাইনে বাতিল করার চেষ্টা চলে। দর্শকের মন্তব্যের ঘর দেখলেই বিষয়টি বোঝা যায়। একই সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কমেডি এখন আর কেবল ছোট একটি গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; অনেক কমেডিয়ান নিজেদের ব্র্যান্ড তৈরি করেছেন। তারপরও এই জগতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ।

সবচেয়ে ধনী অভিনেতা শাহরুখ, অন্যরা কে কত টাকার মালিক

২০২৪ সালে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সৎভাবে কথা বলাই তাঁর কমেডির মূল শক্তি। কাউকে খুশি করার জন্য কিংবা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিজের গল্পের স্বর বদলাতে চান না।

এখন কত টাকার মালিক
ভারতের দৈনিক জাগরণের একটি প্রতিবেদনে সুমুখীর সম্পদের পরিমাণ ১৫ কোটি রুপি (প্রায় ২০ কোটি টাকা) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুমুখীর আয়ের বড় একটি উৎস স্ট্যান্ডআপ কমেডি। ভারতের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি বিদেশেও তাঁর শো হয়েছে। ‘ডোন্ট টেল আম্মা’ ও ‘হোমোনাল’ তাঁর উল্লেখযোগ্য স্ট্যান্ডআপ অনুষ্ঠান। টিকিট বিক্রি, লাইভ শো ও আন্তর্জাতিক ট্যুর থেকে আয় করেন তিনি।

অভিনয় থেকেও নিয়মিত আয় করেছেন সুমুখী। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর ‘পুষ্পাবল্লী’ তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। এ ছাড়া ‘কমিকস্তান’, ‘কমেডি প্রিমিয়াম লিগ’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ ও ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য ফিস্ট’-এর মতো প্রকল্পে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া তাঁর প্রথম স্ট্যান্ডআপ স্পেশাল ‘ডোন্ট টেল আম্মা’ প্রচারিত হয়েছিল অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।