গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম

অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদারে সরকারের সঙ্গে আইওএমের আলোচনা

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদারে সরকারের সঙ্গে আইওএমের আলোচনা

অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কৌশলগত আলোচনা করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। 

বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশের অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় কৌশলগত কাঠামো (২০২৭–২০৩১)/ (বাংলাদেশে অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কৌশলগত কাঠামো ২০২৭–২০৩১) সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ও অংশীদারদের সামনে তুলে ধরা হয়। এতে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং আইওএমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বনদ, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সচিব রেবেকা খান, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. কামরুল আহসান এবং উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। এ ছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোসহ বিভিন্ন অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আলোচনায় বৈধ যাতায়াত ও বাণিজ্য সহজ করার পাশাপাশি মানবপাচার, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ এবং পরিচয় জালিয়াতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ যাতায়াত ও চলাচল সহজ করতে কার্যকর অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমন্বয় জোরদার এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়ে আইওএম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

বাংলাদেশে আইওএম’র চিফ অব মিশন ড. লরা টম বনদ বলেন, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

কৌশলগত কাঠামোটিতে সম্ভাব্য সহযোগিতার চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও তথ্য আদান-প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচিত সীমান্ত পয়েন্টে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন। এ কাঠামো প্রণয়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন কাঠামোও (জুলাই ২০২৬–জুন ২০৩১) বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

আইওএম জানায়, এ বিষয়ে যেকোনো সহযোগিতা সরকারের অগ্রাধিকার, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পরামর্শ এবং বিদ্যমান সম্পদের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।