গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যাতে ভুক্তভোগী সাজতে না পারে: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যাতে ভুক্তভোগী সাজতে না পারে: ডেপুটি স্পিকার
মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যাতে ভুক্তভোগী সাজার চেষ্টা না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিগত সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা এবং ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবগঠিত পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিসের (মানবাধিকার ও শান্তি বিষয়ক সংসদীয় ককাস) প্রথম বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ককাসের সভাপতি ফাহিমা নাসরিন এমপির সভাপতিত্বে বৈঠকে ককাসের সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিনকাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, জহরত আদিব চৌধুরী, মো. আবুল হাসনাত, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ অংশ নেন। ককাসের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নবগঠিত ককাসের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিগত সময়ে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং যারা এর ভুক্তভোগী, তাদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরতে হবে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আর সংঘটিত না হয়, সে লক্ষ্যে সজাগ ও সচেতন থেকে কাজ করে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এ ককাস গঠন করা হয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যাতে ভুক্তভোগী সাজার চেষ্টা না করে, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি। ডেপুটি স্পিকার নির্বাহী বিভাগকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে ককাসের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশে এর আগে এ ধরনের সংসদীয় ককাস গঠিত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ককাসটিকে কার্যকর কমিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে দলগতভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ককাসকে একটি শক্তিশালী কাঠামো হিসেবে দাঁড় করাতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বৈঠকে ককাসের কর্মপরিধি সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন, সংস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, সভা-সেমিনার আয়োজন ও গবেষণাকর্মে ককাসের সদস্যদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সভাপতি ও সদস্যরা। এ সময় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার এবং নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ককাসের সদস্যরা। উল্লেখ্য, বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।