গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৫ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:০৫ পিএম

দাফনের পর তৌফিক হত্যার বিচার চাইল পরিবার

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
দাফনের পর তৌফিক হত্যার বিচার চাইল পরিবার

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির আন্দোলনের সময় দুপক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হওয়া তৌফিকের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজায় নিহতের আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় সবাই তৌফিকের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

নিহত তৌফিক ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিনগত রাত ১১টার দিকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। শেষবারের মতো প্রিয় মানুষটিকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। পুরো গ্রামে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিবেশ। তরুণ ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবারটি।

একটি তরতাজা প্রাণের অকাল মৃত্যুতে ছয়ঘরিয়া গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্বজনদের কান্না আর স্বজনহারা পরিবারের আহাজারির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তৌফিকের শেষ বিদায়। এখন পরিবারের একটাই প্রত্যাশা এই মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। 

তৌফিকের বড় ভাই হারুন বলেন, অফিসের কাজ শেষে বাইরে বের হওয়ার পর তার ছোট ভাইয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এলোপাতাড়ি মারধরের একপর্যায়ে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

তিনি দাবি করেন, তৌফিক কোনো আন্দোলনে অংশ নিতে যায়নি। অফিস থেকে বের হওয়ার পরই তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

নিহত তৌফিকের মা তহমিনা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই। তার মাত্র ১২ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। এখন এ শিশুর ভবিষ্যৎ কী হবে। কে দায়িত্ব নেবে আমার নাতির।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।