প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৩২ এএম || প্রকাশের তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
বগুড়ার নন্দীগ্রামে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট ও অবৈধ ই-ট্রানজেকশন চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে জুয়া ও বেটিংয়ে ব্যবহৃত ৬টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোরে নন্দীগ্রাম উপজেলার পন্ডিতপুকুর বাজার ও মাধবকুড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নন্দীগ্রাম উপজেলার পন্ডিতপুকুর এলাকার মো. আনছার আলীর ছেলে সোহেল রানা (২৮), বৃকঞ্চি গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে এমরান হোসেন (২৯) এবং মাধবকুড়ি গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মো. রেজাউল করিম তানসেন (৩২)।
বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া মুখপাত্র আতোয়ার রহমানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে ডিবির একটি দল পন্ডিতপুকুর বাজার এলাকার মেসার্স দুই ভাই এন্টারপ্রাইজের গোডাউনের বারান্দায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া পরিচালনা এবং ভার্চুয়াল মুদ্রা লেনদেনকালে সোহেল রানা ও এমরান হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে চারটার দিকে তাদের সহযোগী রেজাউল করিম তানসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান আরও জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৫টি স্মার্টফোন ও ১টি বাটন ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক পর্যালোচনায় ফোনগুলোতে বিকাশ, নগদ এবং বাইন্যান্সের (Binance) মতো ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া ‘1Xbet’, ‘Mobcash’, ‘Reddy’, ‘Bybit’ ও ‘Money-go’-এর মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় জুয়ার অ্যাপ এবং সাইট ব্যবহারের প্রাথমিক প্রমাণও মিলেছে।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে নন্দীগ্রাম থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স