গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম

আগামী বছরের ছুটি কোন কোন তারিখে, ঈদ কোন সময়ে ও কত দিন ছুটি

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
আগামী বছরের ছুটি কোন কোন তারিখে, ঈদ কোন সময়ে ও কত দিন ছুটি

২০২৭ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ তালিকা অনুযায়ী আগামী বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাঁচ দিন এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছয় দিন ছুটি থাকবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং ১৭ মে ঈদুল আজহা হতে পারে। অন্যদিকে শারদীয় দুর্গাপূজায় ২ দিন ছুটি থাকবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর আজ বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

ছুটির এ তালিকা অনুযায়ী ১৫ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। অবশ্য ওই ছুটির মধ্যে মোট সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটি ভোগ করবেন কার্যত ২২ দিন।

সাধারণ ছুটি কবে কবে

মোটাদাগে সাধারণ ছুটি হলো সেটি, যেটি মূলত উদ্‌যাপন বা পালনের জন্য করা হয়। এটি সর্বজনীন, সবার জন্যই এটি প্রযোজ্য। ঘোষিত ছুটি অনুযায়ী ১৫ দিন সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস, জুমাতুল বিদা ( ৫ মার্চ), ঈদুল ফিতর ( ১০ মার্চ), ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৩ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তি (শুধু রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য), মে দিবস (১ মে), পবিত্র ঈদুল আজহা (১৭ মে), বুদ্ধপূর্ণিমা (২০ মে), জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট, ১৫ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ২৫ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১০ অক্টোবর বিজয়া দশমী, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশুখিষ্টের জন্মদিন (বড়দিন)।

নির্বাহী আদেশে ছুটি কবে কবে

সরকার নির্বাহী আদেশে যে সরকারি ছুটি দেয়, সেটি মূলত নির্দিষ্ট শ্রেণির লোকদের কথা বিবেচনা করে। যেমন ঈদের আগে-পরে নির্বাহী আদেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারি ছুটি হয়। এবার নির্বাহী আদেশে মোট ছুটি ১৪ দিন। এর মধ্যে পবিত্র শবে বরাত (২৪ জানুয়ারি), পবিত্র শবে কদর (৭ মার্চ), পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের দুই দিন ও পরের দুই দিন (৮ মার্চ, ৯ মার্চ এবং ১১ ও ১২ মার্চ), বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল), ঈদুল আজহার আগের দুই দিন ও পরের তিন দিন (১৫ মে ও ১৬ মে এবং ১৮, ১৯ ও ২০ মে), পবিত্র আশুরা (১৬ জুন) এবং শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী (৯ অক্টোবর)।

ঐচ্ছিক ছুটি

সাধারণ ও নির্বাহী—এই দুই ধরনের ছুটির বাইরে আছে আরেক ধরনের ছুটি। সেটিকে বলা হয় ঐচ্ছিক ছুটি। তবে নামে ঐচ্ছিক হলেও তা ইচ্ছেমতো নেওয়ার সুযোগ নেই। এটি মূলত ধর্মীয় পর্ব অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন নেওয়ার সুযোগ আছে। প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে মুসলিম পর্বের মধ্যে আছে পবিত্র শবে মিরাজ, ঈদুল ফিতরের পরের তৃতীয় দিন, ঈদুল আজহার পরের চতুর্থ দিন, আখেরি চাহার সোম্বা ইত্যাদি। হিন্দু পর্বের মধ্যে আছে শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা, দোলযাত্রা ইত্যাদি। খিষ্টান পর্বের মধ্যে আছে ইংরেজি নববর্ষের মতো কিছু দিবস, বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে আছে মাঘী পূর্ণিমার মতো কিছু দিবস।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।