গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ধস, বাজারমূল্য কমলো স্পেসএক্স ও টেসলারও

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ধস, বাজারমূল্য কমলো স্পেসএক্স ও টেসলারও
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নতুন করে বড় ধরনের ধস নেমেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ডেটা সেন্টার ও সেমিকন্ডাক্টর খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) একদিনেই বিশ্বের শীর্ষ সাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বাজারমূল্য কমেছে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার ইউরোপের বাজারে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফিনিয়নের শেয়ারের দাম ৮ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। প্রযুক্তি সরঞ্জাম নির্মাতা এএসএমএলের শেয়ারও কমেছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে এআই চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ৯ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় একদিনেই বাজারমূল্য থেকে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হারিয়েছে কোম্পানিটি। এছাড়া এএমডি ও মাইক্রনের শেয়ারের দাম ১৭ শতাংশের বেশি কমেছে। ইন্টেলের শেয়ার কমেছে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। মেমোরি কার্ড নির্মাতা স্যানডিস্কের শেয়ারের দরপতন হয়েছে ২২ শতাংশের বেশি। সেমিকন্ডাক্টর খাতের ৩০টি বড় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর নিয়ে গঠিত ফিলাডেলফিয়া সেমিকন্ডাক্টর সূচকও ১২ শতাংশের বেশি কমেছে। এদিকে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারেও বড় পতন দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৮ শতাংশ এবং টেসলার প্রায় ১১ শতাংশ কমেছে। এতে প্রতিষ্ঠান দুটির সম্মিলিত বাজারমূল্য থেকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি কমে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিপাবলিকানদের নির্বাচনি প্রচারে ইলন মাস্ক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন। এর মধ্যে টেক্সাসের সিনেট আসনে কেন প্যাক্সটনের পক্ষে অন্তত ৪৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা ছিল। তবে মঙ্গলবার রাতের নির্বাচনে টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটদের বড় সাফল্য দেখা যায়। প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ারবাজার সূচকগুলোতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক কমেছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ আগের দিনের অর্জিত সব লাভ হারিয়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশের বেশি পতন নিয়ে লেনদেন শেষ করেছে। অন্যদিকে, নাসডাক কম্পোজিট সূচকের পতন এতটাই বেশি হয়েছে যে এটি এখন বাজার বিশ্লেষকদের ভাষায় ‘কারেকশন টেরিটরি’তে প্রবেশ করেছে। সাধারণত কোনো শেয়ার বা বাজার সূচক সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে অন্তত ১০ শতাংশ কমে গেলে তাকে কারেকশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এআই খাতের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এই দরপতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সূত্র: বিবিসি 

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।