প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম || প্রকাশের তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে এ নিয়ে আলোচনা শুরুর আগে ওয়াশিংটনকে তেহরানের দেওয়া সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।
ওই কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে এর বিস্তারিত বিষয় নিয়ে তিনি কিছু বলেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত আবারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীরা কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। নির্বাচনের পর ইরানে আবার সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নাকচ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, যুদ্ধ শুরু হলে আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ইরান।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাশিয়া সফরকালে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান এবং কোনো আলোচনাতেও বসবে না।
ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছেড়ে দেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যেকোনো প্রাথমিক আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। পরে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। ইয়েমেন থেকেও ইরানঘনিষ্ঠ হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স