গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম

৪০ কোটি টাকায় পুনর্বাসন হচ্ছে নোয়াখালীর রেলপথ, আসছে নতুন আন্তনগর ট্রেন

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
৪০ কোটি টাকায় পুনর্বাসন হচ্ছে নোয়াখালীর রেলপথ, আসছে নতুন আন্তনগর ট্রেন

নোয়াখালীর রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর অংশ হিসেবে লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত ৪৮ থেকে ৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন, বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালু ও ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন আন্তনগর ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম ও নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, নোয়াখালী ও চৌমুহনী অঞ্চলের বিভিন্ন স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য ও প্রশস্ততা কম হওয়ায় যাত্রীদের ট্রেনে ওঠানামায় ভোগান্তি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের নতুন অংশ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হলে ১৬টি কোচবিশিষ্ট ট্রেনের যাত্রীরাও নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, প্ল্যাটফর্মের মেঝে পেভিং, অ্যাকসেস কন্ট্রোল ব্যবস্থার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন এবং স্টেশন ভবন ও শেডের সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নোয়াখালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালু এবং নতুন আন্তনগর ট্রেন সুবর্ণচর এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

লাকসাম-নোয়াখালী রেলপথ পুনর্বাসন প্রসঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম বলেন, প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৮ থেকে ৫০ কিলোমিটার রেলপথ সংস্কারের জন্য গত ৫ নভেম্বর দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এ কাজের আওতায় ক্ষয়প্রাপ্ত রেলপাত ও স্টিলের স্লিপার পরিবর্তন, নতুন পাথর (ব্যালাস্ট) স্থাপন, রেললাইনের সংযোগ সরঞ্জাম আধুনিকায়ন, বাঁধ সুরক্ষা দেয়াল নির্মাণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ রেলক্রসিংগুলোর মানোন্নয়ন করা হবে।

তবে নতুন ট্রেন চালুর ক্ষেত্রে আপাতত বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিটারগেজ ইঞ্জিনের সংকট। তানভীরুল ইসলাম বলেন, এ সংকট কাটাতে চট্টগ্রাম-দোহাজারী প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি নতুন মিটারগেজ ইঞ্জিন কেনার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রতিটি ইঞ্জিনের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে নতুন ইঞ্জিন ও কোচ রেলবহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এগুলো পাওয়া গেলে উপকূল এক্সপ্রেসের বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি সুবর্ণচর এক্সপ্রেস চালুর প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: কালবেলা

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।