গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম

স্যান্ডপেপার গেট কাণ্ডের ৮ বছর পর বোমা ফাটালেন খাজা

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
স্যান্ডপেপার গেট কাণ্ডের ৮ বছর পর বোমা ফাটালেন খাজা

২০১৮ সালের বহুল আলোচিত ‘স্যান্ডপেপারগেট’ বা বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি নিয়ে আবারও তোলপাড় শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের সাবেক ওপেনার উসমান খাজা দাবি করেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন টেস্টে বল বিকৃতির কথা দলের সবাই জানতেন। এমনকি কেপটাউন টেস্টের আগের পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টেও এই কৌশল ব্যবহার করা হয়েছিল।

সম্প্রতি সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন চলতি বছর ৮৮টি টেস্ট খেলে অবসর নেওয়া খাজা। আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হতে যাওয়া তার আত্মজীবনীতে এই বিষয়ে একটি আলাদা অধ্যায় রয়েছে।

২০১৮ সালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তে বলা হয়েছিল, বল টেম্পারিংয়ের মূল পরিকল্পনার বিষয়ে কেবল তৎকালীন অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ, সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার এবং ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফট জানতেন। ওই ঘটনার জেরে স্মিথ ও ওয়ার্নারকে এক বছর এবং ব্যানক্রফটকে নয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সেই তদন্তের তথ্য নাকচ করে খাজা বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা সবাই জানতাম। ব্যাটার, বোলার কিংবা সাপোর্ট স্টাফ- দলের সবাই এর সঙ্গে জড়িত ছিলাম।’

খাজা জানান, কেপটাউন টেস্ট শেষে ড্রেসিংরুমে তিনি সবাইকে একসঙ্গে দায় নিতে বলেছিলেন, যাতে শুধু স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে বলির পাঁঠা না বানানো হয়, ‘সত্যি বলতে, আমি নিজেই এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চাইনি। কিন্তু আট বছর পেরিয়ে গেলেও সত্য সামনে এল না। ভেবেছিলাম ডেভি (ওয়ার্নার) কিংবা অন্য কেউ হয়তো মুখ খুলবে। শেষ পর্যন্ত আমাকেই এই সত্য প্রকাশ করতে হবে, তা ভাবিনি।’

খাজার আত্মজীবনীর উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পোর্ট এলিজাবেথ টেস্ট চলাকালেই ড্রেসিংরুমে বল খসখসে করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে স্যান্ডপেপার (শিরিষ কাগজ) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হলে স্টিভ স্মিথ ‘তিনি কিছু জানতে চান না’ বলে সরে যান। এরপর ব্যানক্রফট নিজেই স্যান্ডপেপার ব্যবহারের দায়িত্ব নেন।

খাজার এমন বিস্ফোরক দাবির পরও নিজেদের পুরোনো তদন্ত প্রতিবেদনে অটল রয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, আট বছর ধরে চলা নানা আলোচনার পরও তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্ট। তবে নতুন কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।