২০২৭ সালে বেড়ানোর জন্য বিশ্বের সেরা ২৫টি গন্তব্যের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক’। ইতিহাস-ঐতিহ্য, প্রকৃতি, সংস্কৃতি কিংবা রোমাঞ্চকর অভিযানের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন কারণে এসব গন্তব্য ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করবে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক গন্তব্যগুলো সম্পর্কে।
১. ভেস্টল্যান্ড, নরওয়ে
কেন যাবেন: ইউরোপের অন্যতম মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিয়র্ড (শীতপ্রধান অঞ্চলের উপকূলভাগে হিমবাহসৃষ্ট সুগভীর উপত্যকা সমুদ্রজলে ডুবে থাকলে তাকে বলে ফিয়র্ড) অভিযান ও সুস্থতাকেন্দ্রিক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে।

২. পেনাং, মালয়েশিয়া
কেন যাবেন: গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এই গন্তব্যে আছে রেইনফরেস্টের পথ ধরে হাঁটার সুযোগ এবং প্রাচীন ও প্রাণবন্ত ঐতিহ্য।

৩. লুক্সর, মিসর
কেন যাবেন: শহরটির ওপর দিয়ে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য দেখার পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উন্মুক্ত জাদুঘর ঘুরে দেখতে।

৪. ম্যাডিসন, উইসকনসিন, যুক্তরাষ্ট্র
কেন যাবেন: হ্রদকেন্দ্রিক অ্যাডভেঞ্চার, স্থানীয় খাবার এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পরিসর মিলিয়ে আনন্দময় ছুটি কাটাতে।

৫. পুয়ের্তো রিকো
কেন যাবেন: বিভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যভিত্তিক আয়োজন নতুন করে বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

৬. ডামফ্রিস অ্যান্ড গ্যালোওয়ে, স্কটল্যান্ড
কেন যাবেন: তুলনামূলক কম ভ্রমণকারীর এই অঞ্চলে আছে নিরিবিলি হাঁটার পথ ও তারাভরা আকাশ দেখার সুযোগ।

৭. নিগাতা, জাপান
কেন যাবেন: ব্যতিক্রমী আর্ট ফেস্ট ও শতাব্দীপ্রাচীন খাবারের ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে জাপানের অপেক্ষাকৃত শান্ত একটি অঞ্চলকে নতুনভাবে চিনতে।

৮. চেংদু, চীন
কেন যাবেন: তিন হাজার বছরের পুরোনো এক রাজ্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নতুন করে আবিষ্কার করতে।

৯. প্যাসিফিক কোস্ট হাইওয়ে, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
কেন যাবেন: উপকূলীয় জনপদের পথে পথে ক্যালিফোর্নিয়ার শিল্প-সংস্কৃতির ঐতিহ্য এগিয়ে চলা দেখতে।

১০. জয়পুর, ভারত
কেন যাবেন: প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো প্রাসাদের শহরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সাহিত্য উৎসবের অভিজ্ঞতা নিতে।

১১. গ্রেনাডা
কেন যাবেন: সৃজনশীল সুস্থতাকেন্দ্রিক আয়োজন ও ব্যতিক্রমী উৎসবের মধ্য দিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা পেতে।

১২. সালভাদর, ব্রাজিল
কেন যাবেন: দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহাসিক শহরগুলোর অন্যতম এই জনপদে আফ্রিকান-ব্রাজিলীয় সংস্কৃতির বৃহত্তম উৎসবের অংশ হতে।

১৩. কেপ ফ্রোওয়ার্ড, চিলি
কেন যাবেন: দক্ষিণ আমেরিকার সর্বদক্ষিণ প্রান্তে গড়ে ওঠা নতুন জাতীয় উদ্যানের বুনো প্রকৃতি ঘুরে দেখতে।

১৪. সান্তান্দের, স্পেন
কেন যাবেন: রেইনা সোফিয়া জাদুঘরের নতুন শাখাকে কেন্দ্র করে কান্তাব্রিয়া অঞ্চলে গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক জাগরণের অভিজ্ঞতা নিতে।

১৫. নরম্যান্ডি, ফ্রান্স
কেন যাবেন: হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক আয়োজন উপভোগ করতে। একই সঙ্গে দেখা মিলবে সেই সব প্রাকৃতিক দৃশ্যের, যা মুগ্ধ করেছিল ইমপ্রেশনিস্ট শিল্পীদের (এমন একদল চিত্রশিল্পী, যাঁরা ১৯ শতকের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে ফ্রান্সে গড়ে ওঠা ‘ইমপ্রেশনিজম’ নামক শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন)।

১৬. সাদার্ন ওজার্কস, মিজৌরি ও আরকানসাস, যুক্তরাষ্ট্র
কেন যাবেন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যাঞ্চলের এই এলাকায় আছে প্রত্যাশার বাইরে নানা রোমাঞ্চকর প্রকৃতিভিত্তিক অভিযানের সুযোগ।

১৭. হ্যালিফ্যাক্স, নোভা স্কশিয়া, কানাডা
কেন যাবেন: আটলান্টিক কানাডার ঐতিহ্য ও ইতিহাস নতুন করে তুলে ধরার উদ্যোগের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে প্রাদেশিক এই রাজধানী।

১৮. ট্রান্সককেশীয় ট্রেইল, আর্মেনিয়া
কেন যাবেন: দীর্ঘ পায়ে হাঁটাপথ ধরে আর্মেনিয়ার দুর্গম ও বুনো প্রকৃতির নানা প্রান্ত আবিষ্কার করতে।

১৯. মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
কেন যাবেন: বসবাসের জন্য বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় শহরটি পর্যটকদের জন্য আরও বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠছে।

২০. লাইপজিগ, জার্মানি
কেন যাবেন: সংগীত ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ এক ভ্রমণের জন্য। জার্মানির দ্রুত বর্ধনশীল এই শহর সংগীতপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য।

২১. বাল্টিমোর, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
কেন যাবেন: যুক্তরাষ্ট্রের রেলপথের ইতিহাসের সূতিকাগার এই শহরে নতুনভাবে উজ্জ্বল হয়ে উঠছে অতীতের নানা অধ্যায়।

২২. মালাবি
কেন যাবেন: আফ্রিকার তুলনামূলক কম পরিচিত এই গন্তব্যে ভিড় এড়িয়ে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতির রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিতে।

২৩. মায়া কা’আন, মেক্সিকো
কেন যাবেন: স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মেক্সিকোর ক্যারিবীয় উপকূলের সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা পেতে।

২৪. ত্রিসিটি, পোল্যান্ড
কেন যাবেন: বাল্টিক সাগরের তীরের গডানস্ক, সোপোট ও গডিনিয়া—এই তিন শহরে আছে নতুন করে সাজানো জলধারার তীর, প্রাণবন্ত নগরজীবন ও বৈচিত্র্যময় খাবারের আয়োজন।

২৫. কুয়েলাপ, চাচাপোয়াস, পেরু
কেন যাবেন: ‘উত্তরের মাচু পিচু’ নামে পরিচিত এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক অভিযানের অভিজ্ঞতা নিতে।
সূত্র: প্রথম আলো