গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০১:০০ এএম

বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছে হোমসের প্রতারণার গল্প

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছে হোমসের প্রতারণার গল্প

ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় খলনায়ককে নিয়ে নির্মিত বড় বাজেটের সিনেমা ‘ক্লেফেস’কে পেছনে ফেলে গত শুক্রবারের আয়ের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে এলিজাবেথ হোমসকে নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘ইউ ক্যান সি এভরিথিং’। মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহেও ছবিটির এমন সাফল্য বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। উত্তর আমেরিকার ৩ হাজার ২৪৩টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে ছবিটি আয় করেছে ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। সপ্তাহান্তে এর আয় ১ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

কমেডিয়ান নাথান ফিল্ডার ও নির্মাতা ল্যান্স ওপেনহাইমের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে তথ্যচিত্রটি। এতে উঠে এসেছে প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ হোমসের উত্থান, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও প্রতারণার ঘটনা। এলিজাবেথ হোমস ছিলেন মার্কিন উদ্যোক্তা। তিনি রক্ত পরীক্ষার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান থেরানোস প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। একসময় তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও ব্যবসাজগতের অন্যতম সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা মনে করা হতো। কিন্তু পরে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। রক্ত পরীক্ষার প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার দাবি করে একসময় আলোচনায় এসেছিলেন হোমস। তাঁর প্রতিষ্ঠান থেরানোসের মূলধন একপর্যায়ে পৌঁছেছিল কয়েক শ কোটি ডলারে। পরে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ১১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন তিনি।

‘ইউ ক্যান সি এভরিথিং’–এর পোস্টার। আইএডিবি

তথ্যচিত্রটির নির্মাণে তিন বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন নাথান ফিল্ডার ও ল্যান্স ওপেনহাইম। হোমসের কারাজীবন শুরুর আগের সময়কে কেন্দ্র করে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। আগামী ৯৯তম অস্কারে সেরা তথ্যচিত্র বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও এটি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা নির্মাতাদের রয়েছে।
আয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওয়ার্নার ব্রাদার্স ও ডিসির ‘ক্লেফেস’। উত্তর আমেরিকার ৩ হাজার ৪৭৮টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে ছবিটি আয় করেছে ৩৩ লাখ ডলার। মুক্তির পর দেশটিতে এর মোট আয় ৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।
জেমস ওয়াটকিনস পরিচালিত হরর সিনেমাটিতে ব্যাটম্যানের পরিচিত খলনায়ক

চুম্বন, প্রেম, ঝগড়া আর বেফাঁস মন্তব্যে তোলপাড়, কোটি কোটি মানুষ দেখছেন এই শো

ক্লেফেসের গল্প বলা হয়েছে। ছবিতে এই চরিত্রের আসল নাম ম্যাট হেগেন। ভয়াবহভাবে মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ার পর একটি পরীক্ষামূলক চিকিৎসাপদ্ধতির আশ্রয় নেন এই উঠতি চলচ্চিত্র তারকা। এরপরই শুরু হয় ভয়ংকর সব ঘটনা।
বক্স অফিসে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাইকার স্টপ-মোশন অ্যানিমেশন সিনেমা ‘ওয়াইল্ডউড’। উত্তর আমেরিকার ৩ হাজার ১০০টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে ছবিটি আয় করেছে ২৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার। মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহান্ত শেষে এর মোট আয় ২ কোটি ৫২ লাখ ডলারে পৌঁছেছে।

ট্রাভিস নাইট পরিচালিত ছবিটির গল্প এক কিশোরীকে ঘিরে। তার ভাই অপহৃত হওয়ার পর এক সহপাঠীকে সঙ্গে নিয়ে সে প্রবেশ করে এক রহস্যময় জাদুর বনে। প্রায় ১০ কোটি ডলার বাজেটে নির্মিত ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকেও ভালো প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।

ভ্যারাইটি অবলম্বনে

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।