গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৩ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৬ এএম

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। গতকাল শনিবারের এই নির্বাচনের পর দেশটির প্রধান দুই দলের নেতারা জোট সরকার গঠনের জন্য আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের মধ্যডানপন্থী ন্যাশনাল পার্টি ৪২টি আসন পেয়েছে। দলটি সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ১৯টি আসন পিছিয়ে রয়েছে।

ন্যাশনাল পার্টির সঙ্গে জোটসঙ্গী অ্যাক্ট পার্টি ও নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টির আসন যুক্ত হলে তারা বামঘেঁষা জোটের চেয়ে সামান্য এগিয়ে থাকবে। তবে এ জন্য দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হতে হবে।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা ক্রিস হিপকিন্স এখনো পরাজয় স্বীকার করেননি। তাঁর লেবার পার্টি ৩৬টি আসন পেয়েছে। হিপকিন্স বলেছেন, পরবর্তী সরকার কেমন হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি পরিষ্কার হতে আরও কিছু সময় লাগবে।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও বেকারত্ব এবারের নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল।

প্রাক্কলন অনুযায়ী, ন্যাশনাল পার্টি ৪২টি ও লেবার পার্টি ৩৬টি আসন পেয়েছে। গ্রিন পার্টি পেয়েছে ১৬টি আসন। এ ছাড়া অ্যাক্ট পার্টি ১৩টি, নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি ১২টি, অপারচুনিটি পার্টি ৭টি ও মাওরিদের প্রতিনিধিত্বকারী তে পাতি মাওরি পার্টি ৫টি আসন পেয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের নির্বাচন কমিশনের ২৭ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

দলীয় সহকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার আগে লাক্সন তাঁর প্রতিপক্ষ হিপকিন্সকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত ফলাফল যা-ই হোক না কেন, আপনাদের প্রত্যেককে নিয়ে আমরা অত্যন্ত গর্বিত।’

লাক্সন জানান, চলতি মাসের শেষ দিকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তাঁর সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরই অর্থবহ আলোচনা শুরু করা সম্ভব হবে।’

অন্যদিকে লেবার পার্টির নেতা হিপকিন্স বলেন, জনগণ রায় দিয়েছে। তবে সেই রায়ের অর্থ বুঝতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হিপকিন্স বলেন, নির্বাচনের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে পরবর্তী পার্লামেন্টে সবাইকে ছাড় দিতে হবে। একসঙ্গে কাজ করতে হবে, অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে হবে।

নিউজিল্যান্ডে ৯৯ শতাংশের বেশি ভোট গণনা শেষ হয়েছে। ভোটের হার বিবেচনায় ন্যাশনাল পার্টি ও লেবার পার্টির মধ্যে ব্যবধান খুবই কম।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।