গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:২৮ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম

দুর্নীতির মামলায় সাবেক কর কর্মকর্তা শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড

জাতীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
দুর্নীতির মামলায় সাবেক কর কর্মকর্তা শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত -৯ এর বিচারক আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন। দুদক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন সাজার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।’ এছাড়া আসামির অবৈধভাবে উপার্জিত এক কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের তথ্য দিয়েছেন প্রসিকিউটর শামীম হোসেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারি সাইফুল ইসলাম মিঠু জানান, আসামি জামিনে ছিলেন। রায় ঘোষণার আগে আদালতে উপস্থিত হন। রায় শেষে জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এক কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৩ মে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটি সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী মামলাটি দায়ের করেন।  মামলায় অভিযোগ করা হয়, শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআরের কর অঞ্চল ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে অবসরে আছেন। তিনি দুদকে ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নিজ নামে ও নির্ভরশীলদের নামে যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা ও আয়ের উৎসসহ বিস্তারিত বিবরণী জমা দেন। জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়। যার মধ্যে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। বাকি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার আয়ের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এ কারণে ওই সম্পদকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত মর্মে প্রতীয়মান করে দুদক। মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৭ এপ্রিল শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। গেল ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চার জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সূত্র: কালবেলা

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।