গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৯ নভেম্বর, ২০২৬, ০১:৪৭ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি, জানুন ঘরে বসেই

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি, জানুন ঘরে বসেই

বাবা কিংবা দাদার নামে দেশের কোথায় কতটুকু জমি রয়েছে, তা জানতে একসময় ভূমি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। পুরনো জমির রেকর্ড খুঁজে বের করাও ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ ও ঝামেলার কাজ। তবে ভূমিসেবা ডিজিটাল হওয়ায় এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ঘরে বসে জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর ও মালিকানাসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব। এমনকি অনলাইনে আবেদন করে সংগ্রহ করা যাচ্ছে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপিও।

অনলাইনে যেভাবে জানবেন জমির তথ্য

জমির তথ্য জানতে প্রথমে স্মার্টফোনের ব্রাউজার থেকে ‘ই-পর্চা’ লিখে অনুসন্ধান করতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেন্যু থেকে ‘খতিয়ান’ অপশন নির্বাচন করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে জমির বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের ধরন, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ানের ধরন হিসেবে বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ নির্বাচন করার সুযোগ থাকতে পারে।

এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা জমির মালিকের নাম ব্যবহার করে অনুসন্ধান করা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ক্যাপচা পূরণ করে ‘অনুসন্ধান করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

অনুসন্ধান সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।

খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি পাবেন যেভাবে

অনলাইনে জমির তথ্য পাওয়ার পর খতিয়ানের কপি সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের ‘আবেদন করুন’ অপশন থেকে আবেদন করা যাবে।

এ ক্ষেত্রে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এরপর দেওয়া তথ্য যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

শুধু নাম দিয়ে কি সব জমির তথ্য পাওয়া সম্ভব?

অনলাইনে শুধু নাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা কোনো ব্যক্তির সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যায় না। কারণ জমির রেকর্ড নির্দিষ্ট এলাকা ও দাগ নম্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বাবা কিংবা দাদার নামে থাকা সম্পত্তির খোঁজ পেতে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা প্রয়োজন।

যদিও অনলাইনে পাওয়া তথ্যকে জমির প্রাথমিক যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত। জমি কেনাবেচা কিংবা মালিকানা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খতিয়ান, দলিল, নামজারিসহ সব বৈধ নথি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে পুরনো জমির ক্ষেত্রে এ বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

সূত্র: কালবেলা

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।