|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

বহুল আলোচিত রায়হান হত্যা, এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
৪২৭ পঠিত
বহুল আলোচিত রায়হান হত্যা, এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
সিলেটের বহুল আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির বহিষ্কৃত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই মামলায় আরও তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় দিকে স...

সিলেটের বহুল আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির বহিষ্কৃত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই মামলায় আরও তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় দিকে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী ১৫৭ পৃষ্ঠার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় একমাত্র আসামি আশিক এলাহী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি পাঁচ আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

কালবেলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম মোমিন।

রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস এবং এসআই মো. হাসান উদ্দিন। এর মধ্যে হারুন ও টিটুকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা এবং হারুনের অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হাসান উদ্দিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী এবং আকবরের আত্মীয় সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল নোমানকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের জরিমানাসহ অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর রাতে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমদকে তুলে নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বর্বরোচিত নির্যাতন চালানো হয়। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত প্রতিবেদনে তার শরীরে ৯৭টি আঘাতের চিহ্ন এবং হাত ও পায়ের নখ উপড়ে ফেলার প্রমাণ মেলে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত মোট ৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আজ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স