|
| |
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ইপিজেডে অগ্রিম আয়কর ও শুল্ক জটিলতা নিরসনে সহযোগিতা চাইল বেপজা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৫৩ এএম
৩১৫ পঠিত
ইপিজেডে অগ্রিম আয়কর ও শুল্ক জটিলতা নিরসনে সহযোগিতা চাইল বেপজা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাস্টমস-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং প্রস্তাবিত ইপিজেড কাস্টমস বিধিমালা দ্রুত কার্যকরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপ ও নির...

চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাস্টমস-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং প্রস্তাবিত ইপিজেড কাস্টমস বিধিমালা দ্রুত কার্যকরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।

নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপ ও নির্দিষ্ট ধরনের সুতার ওপর আমদানি শুল্কের কারণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলী ইপিজেড পরিদর্শনকালে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।

পরিদর্শনকারী দলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজন কান্তি সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ নুরজাহান খানম এবং পরিচালক-১ ফাহমিদ ফারহান।

বেপজা নির্বাহী দপ্তরের সদস্য (প্রকৌশল) আব্দুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহসীন হাসান এবং চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম তাদের স্বাগত জানান।

ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বন্ডেড শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপ এবং নির্দিষ্ট ধরনের সুতার ওপর আমদানি শুল্ক আরোপের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা পরিচালনায় সমস্যার মুখে পড়ছে। এসব জটিলতা নিরসন করা না হলে শিল্পকারখানার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থানও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

তিনি প্রস্তাবিত ইপিজেড কাস্টমস বিধিমালা দ্রুত চূড়ান্ত ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

শরিফুল ইসলাম আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগ ও দূরদর্শী চিন্তার মাধ্যমে বাংলাদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি, শিল্পায়নের প্রসার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বেপজার কার্যক্রম আরও গতিশীল হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিক কল্যাণ এবং শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সংস্থাটি।

সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক সম্ভাবনাময় এলাকায় নতুন ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে রপ্তানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহযোগিতা চান বেপজার এ কর্মকর্তা।

পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম ইপিজেডের প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড ও তালিসমান পারফরম্যান্স লিমিটেড এবং কর্ণফুলী ইপিজেডের কেনপার্ক ও পার্ক বিডির শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা কারখানাগুলোর উৎপাদন প্রক্রিয়া, কর্মপরিবেশ, শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী কার্যক্রম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। পরিদর্শন শেষে দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিকল্পিত শিল্পায়নে বেপজার অবদানের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স