|
| |
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

৩ সন্তানের জননীকে স্ত্রী দাবি ভূমি কর্মচারীর, ‘তালাক’ দ্বন্দ্বে থানায় বর্তমান স্বামী

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
২৩৯ পঠিত
৩ সন্তানের জননীকে স্ত্রী দাবি ভূমি কর্মচারীর, ‘তালাক’ দ্বন্দ্বে থানায় বর্তমান স্বামী
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে তিন সন্তানের এক জননীকে নিজের ‘স্ত্রী’ দাবি করে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন সফিকুল ইসলাম নামে এক সরকারি কর্মচারী। তিনি উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত। তবে ওই নারীর পূর্বের স্বামী বেলাল হোসেনের দাবি- আঞ্জুয়ারা বেগম এখনো তারই স্ত্রী, তাকে ফুসলিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন সফিকুল। এ...

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে তিন সন্তানের এক জননীকে নিজের ‘স্ত্রী’ দাবি করে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন সফিকুল ইসলাম নামে এক সরকারি কর্মচারী। তিনি উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত।

তবে ওই নারীর পূর্বের স্বামী বেলাল হোসেনের দাবি- আঞ্জুয়ারা বেগম এখনো তারই স্ত্রী, তাকে ফুসলিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন সফিকুল। এই ‘বিয়ে ও তালাক’ নাটক নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষয়টি গড়িয়েছে থানায়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের খুটামারা এলাকায় এই ঘটনাটি জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসের কর্মচারী সফিকুল ইসলাম প্রায়ই খুটামারা এলাকার আছিম উদ্দিনের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহ জাগলে বুধবার বিকেলে সফিকুলকে ওই বাড়িতে হাতেনাতে অবরুদ্ধ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন সফিকুল দাবি করেন, বাড়ির মালিক আছিম উদ্দিনের মেয়ে আঞ্জুয়ারা বেগমকে তিনি ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে করেছেন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আঞ্জুয়ারা বেগমের স্বামী হিসেবে তারা দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব দেবীডুবা সবুজপাড়া এলাকার বেলাল হোসেনকে চেনেন। তাদের জানামতে, আঞ্জুয়ারা ও বেলালের প্রায় ২৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে আঞ্জুয়ারা বেগম জানান, তিনি আগের স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তালাকের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। তালাকের কাগজপত্র আগের স্বামীর ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠিয়েছেন বলেও দাবি করেন আঞ্জুয়ারা।

এদিকে সফিকুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমীন। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সফিকুলের দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন নিলুফা ইয়াসমীন।

বেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে সফিকুল ইসলাম পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ কারণে প্রায় তিন মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। বুধবার হঠাৎ করে তিনি সফিকুলের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ের দাবির বিষয়টি জানতে পারেন। স্ত্রীর তালাক প্রদানের কোনো কাগজও পাননি। এ ঘটনায় তিনি দেবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।

তবে সফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল তার শ্বশুর ফোন করে দেখা করতে বলায় তিনি ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। শরিয়াহ মেনে তারা বিয়ে করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, তাদের মধ্যে কোনো অবৈধ সম্পর্ক নেই।
 

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স