|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতের বর্ণনা দিলেন বন্ধু দ্বীপ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম
৩৬৩ পঠিত
তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতের বর্ণনা দিলেন বন্ধু দ্বীপ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি নিখোঁজ হওয়ার দিন সন্ধ্যার পর যে জুনিয়র বন্ধুর সঙ্গে বাসা থেকে বের হন, তার সঙ্গে কথা বলেছে কালবেলা অনলাইন। শাহরিয়ার দ্বীপ নামের সেই তরুণ জানিয়েছেন, ২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তাহসিফ তার সঙ্গে ছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর...

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি নিখোঁজ হওয়ার দিন সন্ধ্যার পর যে জুনিয়র বন্ধুর সঙ্গে বাসা থেকে বের হন, তার সঙ্গে কথা বলেছে কালবেলা অনলাইন। শাহরিয়ার দ্বীপ নামের সেই তরুণ জানিয়েছেন, ২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তাহসিফ তার সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল কালবেলাকে জানান, তাহসিফ এক জুনিয়র বন্ধু দ্বীপের ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। যাওয়ার আগে মাকে জানিয়েছিলেন, একটু কথা বলে ফিরে আসবেন। এরপর আর তার খোঁজ পায়নি পরিবার। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মাকে শেষবারের মতো মেসেজ পাঠান, ‘আম্মু, আমি আসছি।’

পরদিন সন্ধ্যার আগে পরিবার জানতে পারে, রাজধানীর উত্তরার রাজাবাড়ী ঘাটে নদীতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে।

দ্বীপের নাম আসার পর তাহসিফের ফেসবুক আইডি ঘেঁটে তার সন্ধান পায় কালবেলা অনলাইন। এরপর ফোনে এই প্রতিবেদক তার সঙ্গে কথা বলেন।

দ্বীপ বলেন, ‘বিষয়টা এরকম যে উনার বাইকটা না চলার মতো অবস্থায় অকেজো হয়ে পড়েছিল। আমার একটা সেম মডেলের বাইক আছে, একদম সেম মডেল। যেহেতু আমার সেম মডেলের বাইক আছে এবং আমি আমার বাইক মেইনটেন্যান্স করে রাখি। আমি জানি যে কখন কী করতে হবে, কোন ইঞ্জিন অয়েল কীভাবে কী চেঞ্জ করতে হবে? তো তাকে আমি তার বাইকটা স্টার্ট নিতে সাহায্য করি এবং আমরা একসঙ্গে উত্তরার একটা ওয়ার্কশপে যাই। ওইখানে গিয়ে তার বাইকের ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করে। আরও বেশ কিছু বিষয় ছিল, সেগুলা কমপ্লিট করে আমরা আবার এপার্টমেন্ট প্রজেক্টে ফেরত আসি। সেখান থেকে একটা রেস্টুরেন্ট আছে রাজি কমপ্লেক্সে, ওখানে যাই। আমরা দুইজন মিলে ডিনার করি। পরে আমি বের হয়ে আমার বাসার দিকে চলে আসি, উনি আরেক দিকে চলে যান। আমি স্পেসিফিকভাবে জানি না আসলে উনি কোন কাজে কোন দিকে চলে গিয়েছিলেন।’

আপনার সঙ্গে যখন দেখা হয়েছে, তখন কয়টা বাজে- এমন প্রশ্নের জবাবে দ্বীপ বলেন, ‘আমার সঙ্গে আসলে উনি অনেকক্ষণ ছিলেন। বাইকের কাজে প্রায় এক-দেড় ঘণ্টার মতো ছিলাম মোস্ট প্রোবাবলি।’

‘তবে, তার সঙ্গে আমার দেখা রাত ৯টার দিকে। আর আমি যখন বাসার দিকে চলে আসি, তখন সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মতো বাজে। তিন ঘণ্টার মতো। তার মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টাই আমরা ওয়ার্কশপে ছিলাম।’

তাহসিফের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বর্ণনা দিয়ে দ্বীপ বলেন, ‘উনি আমার বয়সে সিনিয়র। আমার খুবই কাছের একজন বড় ভাই ছিলেন। এমনও হয়েছে, আমরা সপরিবারে তাদের বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছি।’

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স