|
| |
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ধলপুরে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ, নজরদারি জোরদার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
৪৪৫ পঠিত
ধলপুরে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ, নজরদারি জোরদার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর সিটি পল্লী এলাকায় দীর্ঘদিনের মাদক ব্যবসার আস্তানা উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সহযোগিতায় পরিচালিত এ অভিযানে মাদক কারবারিদের অবৈধ স্থাপনা ও আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে এলাকায় মাদ...

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর সিটি পল্লী এলাকায় দীর্ঘদিনের মাদক ব্যবসার আস্তানা উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগ।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সহযোগিতায় পরিচালিত এ অভিযানে মাদক কারবারিদের অবৈধ স্থাপনা ও আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে এলাকায় মাদক কারবারের তৎপরতা কমার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ডিএমপির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধলপুর সিটি পল্লী ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রকাশ্যে ও গোপনে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। এলাকাটির আশপাশে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থী ও কিশোর-তরুণদের মাদকের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

পুলিশ জানায়, এর আগে ওই এলাকা থেকে একাধিক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। তবে জামিনে মুক্ত হয়ে তাদের কেউ কেউ আবার মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে মাদক ব্যবসার স্থায়ী আস্তানা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ ও ২ নভেম্বর পুলিশ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক কারবারিদের ব্যবহৃত অবৈধ স্থাপনা ও আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের পর এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল, সাদা পোশাকে নজরদারি এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ধলপুর সিটি পল্লী এলাকায় ৩৫টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩০৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ২৭৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় মাদক কারবারি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এলাকায় নজরদারি ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
 

সূত্র: কালবেলা