|
| |
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

তদন্তের মধ্যেও টানা পঞ্চমবার কংগ্রেসে জয়ী ইলহান ওমর

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
১৮২ পঠিত
তদন্তের মধ্যেও টানা পঞ্চমবার কংগ্রেসে জয়ী ইলহান ওমর
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য ও আর্থিক বিবরণী নিয়ে দুটি পৃথক ফেডারেল তদন্ত চললেও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট ইলহান ওমর। মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক অঙ্গরাজ্য পুলিশ কর্মকর্তা জন নাগেলকে হারিয়েছেন সোমালি বংশোদ্ভূত...

অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য ও আর্থিক বিবরণী নিয়ে দুটি পৃথক ফেডারেল তদন্ত চললেও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবারও কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট ইলহান ওমর। মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক অঙ্গরাজ্য পুলিশ কর্মকর্তা জন নাগেলকে হারিয়েছেন সোমালি বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিক।

২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রথমবার প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হন ওমর। ইলহান ওমর এবারসহ মোট পঞ্চমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৮ সালের পর ২০২০, ২০২২, ২০২৪ ও ২০২৬ সালের নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন তিনি।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দুই মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্যের একজন। দেশটির ডেমোক্র্যাট-অধ্যুষিত আসনগুলোর মধ্যে অন্যতম মিনেসোটার এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

তবে নির্বাচনী জয়ের পরও তাকে ঘিরে বিতর্ক ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গত ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসায় অভিযান চালান হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশন্সের (এইচএসআই) কর্মকর্তারা। এ সময় তার ফোন, পাসপোর্ট ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়। পাশাপাশি সংগ্রহ করা হয় তার ডিএনএ নমুনা।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদনে ওমর বা তার বাবা অভিবাসনসংক্রান্ত কোনো তথ্য গোপন কিংবা মিথ্যা দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। তার আর্থিক বিবরণী নিয়েও পৃথক তদন্ত চলছে।

২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাইদ এলমিকে বিয়ে করেন ওমর। আদালতের নথিতে তার নাম ‘ইলহান ওমর নুর সাইদ এলমি’ উল্লেখ থাকায় পুরোনো একটি অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।

অভিযোগটি হলো, এলমি তার ভাই এবং অভিবাসন জালিয়াতির উদ্দেশ্যে তাকে বিয়ে করেছিলেন। তবে ওমর এ অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছেন। ২০১৬ সালে এ বিষয়ে এফবিআই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ তদন্ত শুরু করেছিল। পরে ২০২১ সালে তদন্ত বন্ধ হয়ে যায় বলে ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন একটি সূত্র।

ওমর এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হননি। তিনি দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে লক্ষ্যবস্তু করছেন। তার মুখপাত্রও অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক অপপ্রচার বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

বিতর্কের মধ্যেও নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে গেছেন ওমর। সমর্থকদের কাছে অনুদান চাওয়ার পাশাপাশি মিনিয়াপোলিসে সোমালি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
  
সূত্র: ফক্স নিউজ

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স