|
| |
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
২১৫ পঠিত
ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ইলহান ওমর মোট পড়া ভোটের মধ্যে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের লেসি জনসন পেয়েছেন ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইলহান ওমর। মিনেসোটার মিনিয়াপলিসের মিনেসোটা ৫ নম্বর সংসদীয় আসন থেকে তিনি কংগ্রেসে দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হলেন।

বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনার তথ্য অনুযায়ী, ৩৮ বছর বয়সী ওমর তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী লেসি জনসনকে পরাজিত করেছেন। ওমর ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের লেসি জনসন পেয়েছেন ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।

নির্বাচনে জয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইলহান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, মিনেসোটা। “জনগণের প্রতিনিধি পরিষদে” আবারও এত বিপুল জনরায় নিয়ে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’

ইলহান লিখেছেন, ‘আমরা ট্রাম্পকে আমাদের কণ্ঠ থামিয়ে দিতে দেব না।’

ইলহান ওমর মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সদস্য। ২০১৮ সালে কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম দুই মুসলিম নারীর একজন তিনি।

ইলহান প্রগতিশীল ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস নারীদের চার সদস্যের তথাকথিত ‘স্কোয়াড’-এর অন্যতম সদস্য। এই চার সদস্যের মধ্যে রয়েছেন ডেট্রয়েটের রাশিদা তালিব, নিউইয়র্ক নগরের আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ এবং বোস্টনের আয়ানা প্রেসলি।

এই চার তরুণ, প্রগতিশীল নারী রাজনীতিকদের নতুন উদীয়মান একটি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন, যাঁরা ডেমোক্রেটিক পার্টির হাউস নেতৃত্বকে নতুন ধারায় পরিচালিত করছেন।

সোমালিয়া থেকে আসা একসময়ের এই শরণার্থী ২০১৬ সালে মিনেসোটা রাজ্য আইনসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নিজের একটি জাতীয় পরিচিতি গড়ে তোলেন।

উদারপন্থী বিভিন্ন ইস্যুতে ইলহানের জোরালো অবস্থান, ইসরায়েলবিরোধী মন্তব্য এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হওয়ার আগ্রহ তাকে আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

ইলহান প্রায়শই প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য রিপাবলিকানের সমালোচনা ও মানহানিকর মন্তব্যের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।

গত মাসে ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারে ইলহান ওমরকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। তিনি তাঁকে মার্কিন নাগরিক নন বলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর আইনশঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালায়। ইলহান অবশ্য ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া জবাব দেন এবং তাঁকে ‘বর্ণবাদী’ বলে আখ্যা দেন।

ওমর সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে সম্পর্কসহ অন্যান্য মার্কিন-বিদেশি জোটের বিরোধিতায় বেশ সোচ্চার।

গত বছর আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইলহান বলেছিলেন, ‘সৌদি আরব ও আমিরাতের সঙ্গে আমাদের “মৈত্রী” নীতিবিবর্জিত। আমি মনে করি, এটি সবচেয়ে অদ্ভুত জোটগুলোর একটি; যা আমাদের কোনো মূল্যবোধের সঙ্গেই মেলে না।’

ইলহানের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান জনসন প্রথমবারের মতো কংগ্রেস নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। ৬৬ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো