|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সন্দেহভাজন ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ এনবিআরের

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
৪৫৪ পঠিত
সন্দেহভাজন ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ এনবিআরের
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:

তৈরি পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রায় ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে বলেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে প্রায় ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে, এনবিআরের দুটি গোয়েন্দা ইউনিট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব শনাক্ত ও জব্দ করার অনুরোধ জানিয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়েছে। পাশাপাশি ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ চেয়েছে সংস্থাটি।

তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাঁদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা রয়েছেন। তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন সালমান এফ রহমান, আবদুস সালাম মুর্শেদী, টিপু মুনশি, শাহরিয়ার আলম, নসরুল হামিদ ও তাজুল ইসলাম।

এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে টুসুকা গ্রুপের ফয়জুর রহমান, ওয়েল গ্রুপের আবদুস সালাম, নিপা গ্রুপের খসরু চৌধুরী, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের মোশাররফ হোসেন এবং তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এস এম মান্নান কচির নাম রয়েছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামও তালিকায় আছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক হিসাব জব্দ করার তালিকায় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বোনের জামাই আলিফ মোল্লার নামও রয়েছে। আর মোবাইল ব্যাংকিং ছাড়াও ক্রিপ্টো কারেন্সি দিয়েও লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনীহা জানিয়ে বলেন, কয়েকটি সরকারি সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাংক হিসাব শনাক্ত ও জব্দ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের বিবরণ চাওয়া হয়েছে।

কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, আবার কেউ কেউ পলাতক। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে এনবিআরের তদন্ত শেষ হয়নি। এই তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এটিকে চলমান প্রক্রিয়া বলছেন তাঁরা। কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি তাঁরা।

সূত্র: প্রথম আলো