|
| |
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

গাজীপুরে আজ ছুটির দিনে ৭০ শতাংশ কারখানা বন্ধ, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৩৭ এএম
৩৪০ পঠিত
গাজীপুরে আজ ছুটির দিনে ৭০ শতাংশ কারখানা বন্ধ, পরিস্থিতি স্বাভাবিক
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
গাজীপুরে আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পোশাক কারখানার প্রায় ৭০ শতাংশ বন্ধ রয়েছে। তবে যেসব কারখানায় উৎপাদনের চাপ বেশি, সেগুলো খোলা রেখে কাজ চলছে।

গাজীপুরে আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পোশাক কারখানার প্রায় ৭০ শতাংশ বন্ধ রয়েছে। তবে যেসব কারখানায় উৎপাদনের চাপ বেশি, সেগুলো খোলা রেখে কাজ চলছে। আজ বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলের কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা শ্রমিক বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আগের মতোই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় জেলার ৭০ থেকে ৭২ শতাংশ কারখানা বন্ধ রয়েছে। যেসব কারখানায় কাজের চাপ বেশি, সেগুলো খোলা রেখে উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা শ্রমিক বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আগের মতোই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন রয়েছেন।

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গত কয়েক দিন গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও আন্দোলন করেছেন। এ সময় কয়েকটি এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এতে শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

শিল্প পুলিশ, শ্রমিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সাপ্তাহিক ছুটির কারণে অধিকাংশ পোশাক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত আছে। শিল্পাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও কারখানার আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও শ্রমিক অসন্তোষ বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।

শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, মৌচাক ও সফিপুর থেকে শুরু করে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী, ভোগড়া ও নাওজোড় এলাকায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে শ্রমিকেরা বিভিন্ন কারখানা থেকে বেরিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এসব ঘটনায় পুলিশ, শ্রমিক ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। কয়েকটি কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো