|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

গোল্ডেন ভিসার সুযোগ দিচ্ছে পর্তুগাল, আবেদন নিষ্পত্তিতে থাকবে অগ্রাধিকার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫২ এএম
৩৯৬ পঠিত
গোল্ডেন ভিসার সুযোগ দিচ্ছে পর্তুগাল, আবেদন নিষ্পত্তিতে থাকবে অগ্রাধিকার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে পর্তুগাল সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আবাসন অনুমতিসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম দ্য পর্তুগাল নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির...

২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে পর্তুগাল সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আবাসন অনুমতিসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম দ্য পর্তুগাল নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির ২০২৭ সালের প্রস্তাবিত রাষ্ট্রীয় বাজেট নিয়ে সংসদীয় আলোচনায় প্রেসিডেন্সিমন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাও আমারো এ বিষয়ে কথা বলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রী স্বীকার করেছেন, আগামী বছর গোল্ডেন ভিসার আবেদনগুলো নিয়মিতকরণ ও নিষ্পত্তি করা সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর একটি হবে।

গোল্ডেন ভিসার আনুষ্ঠানিক নাম ‘রেসিডেন্স পারমিটস ফর ইনভেস্টমেন্ট অ্যাক্টিভিটি’ (এআরআই)। এসব আবেদন প্রক্রিয়াকরণ থেকে পর্তুগালের অভিবাসন সংস্থা এআইএমএ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় করে। তথ্যমতে, প্রতিটি আবাসন অনুমতিপত্রের বিপরীতে প্রায় ৬ হাজার ইউরো পর্যন্ত ফি আদায় হতে পারে।

অভিবাসনসেবা উন্নত করার পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে আদায় করা ফি দিয়ে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার অর্থায়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ২০১২ সালে গোল্ডেন ভিসা কর্মসূচি চালু করে পর্তুগাল। এ কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত বিনিয়োগ ও আইনি শর্ত পূরণকারী বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং তাদের যোগ্য পরিবারের সদস্যরা দেশটিতে বসবাসের অনুমতি পেতে পারেন।

তবে ২০২৩ সালে আইন পরিবর্তনের পর নতুন আবেদনকারীদের জন্য আবাসন বা সম্পত্তি কেনার মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা হয়। বর্তমানে কয়েকটি বিকল্প বিনিয়োগের মাধ্যমে এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এসব বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে যোগ্য বিনিয়োগ তহবিল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সাংস্কৃতিক প্রকল্প এবং নির্দিষ্ট ধরনের ব্যবসায়িক বিনিয়োগ।

অন্যদিকে, যারা আগে থেকেই গোল্ডেন ভিসা পেয়েছেন, তাদের আবাসন অনুমতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তগুলো মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত বিনিয়োগ বজায় রাখার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

২০২৭ সালে আবেদন নিষ্পত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে প্রক্রিয়াধীন থাকা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতি আসতে পারে।

সূত্র: দ্য পর্তুগাল নিউজ

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স