|
| |
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ওড়না দিয়ে নাক–মুখ বেঁধে শিশুকে হত্যা করেন সৎমা, পেলেন যাবজ্জীবন সাজা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
৩১৫ পঠিত
ওড়না দিয়ে নাক–মুখ বেঁধে শিশুকে হত্যা করেন সৎমা, পেলেন যাবজ্জীবন সাজা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

টাঙ্গাইলে তিন বছরের এক শিশুকে হত্যার দায়ে তার সৎমাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালত তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আজ বুধবার টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম সাবরিন নাহার (সিনথি)। তিনি রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের মেয়ে। তিনি নিহত শিশুর বাবা সালাউদ্দিন ইমনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসায় সালাউদ্দিন ইমনের শিশুসন্তান সাইফ টেলিভিশন দেখছিল। উচ্চ আওয়াজে টেলিভিশন দেখার কারণে সৎমা সাবরিন নাহার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি তিন বছরের শিশু সাইফকে পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ওড়না দিয়ে হাত ও নাক-মুখ বেঁধে ফেলেন। এতে সাইফ নিস্তেজ হয়ে পড়ে। পরে সাবরিন শিশুটির হাত-পা বেঁধে বাথরুমে নিয়ে পানিভর্তি বালতিতে মাথা ডুবিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

পরে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ডাকাতির নাটক সাজান সাবরিন। ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো করে তিনি মুঠোফোনে স্বামীর কাছে ডাকাতির মিথ্যা তথ্য জানান। ঘটনার পর নিহত সাইফের দাদা সরোয়ার হোসেন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। এতে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের সন্দেহ হলে সাবরিন নাহারকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সাইফকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রতীমা রানী তরফদার তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালতে মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত সাবরিন নাহারকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সূত্র: প্রথম আলো