|
| |
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:০০ এএম
২০৬ পঠিত
প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:

প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীতে মৃদু ভূকম্পন হয়। শুনতে অবাক লাগলেও ৬০ বছর ধরে গবেষণা করেও এই স্পন্দনের সঠিক কারণ এখনো ব্যাখ্যা করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। এটি কোনো হারমোনিক ঘটনা নাকি সূর্যের শক্তির কারণে তৈরি হয়, তা নিয়ে একাধিক তত্ত্ব রয়েছে। ১৯৬০ দশকের শুরুতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লামন্ট-ডোহার্টি জিওলজিক্যাল অবজারভেটরির ভূতাত্ত্বিক জ্যাক অলিভার প্রথম পৃথিবীর এই স্পন্দন বা মাইক্রোসিজম নথিভুক্ত করেন। তবে সে সময় আধুনিক সিসমোলজিস্টদের ব্যবহৃত উন্নত যন্ত্র তাঁর কাছে ছিল না। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীরা জানান, গিনি উপসাগরের বাইট অব বনি নামের একটি স্থান থেকে তৈরি হচ্ছে এই স্পন্দন।

কিছু গবেষকের মতে, এই স্পন্দনের পেছনে একটি সাধারণ কারণ রয়েছে। মহাসাগরের নিচে থাকা কন্টিনেন্টাল শেলফ বা মহীসোপান একটি বিশাল ঢেউ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। গিনি উপসাগরের মহীসোপানের বিশেষ স্থানে নিয়মিত সমুদ্রের ঢেউ আঘাত করায় এই স্পন্দন তৈরি হতে পারে। বাদ্যযন্ত্রের ড্রামের মতো মহীসোপানের গঠন বিশেষ ধরনের শব্দের সৃষ্টি করছে বলে গবেষকদের ধারণা। আবার অনেক গবেষক মনে করেন এই স্পন্দনের পেছনে একটি আগ্নেয়গিরি দায়ী। বাইট অব বনির সাঁও তোমে দ্বীপের একটি আগ্নেয়গিরির ঠিক কাছাকাছি স্থানে স্পন্দনের কেন্দ্রবিন্দু রয়েছে। জাপানেও একই ধরনের আগ্নেয়গিরিজাত সিসমিক স্পন্দন আগে থেকেই নথিভুক্ত রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা এই স্পন্দন নিয়ে গবেষণা করলেও বড় ধরনের প্রাকৃতিক ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় এটি সমাধান করা প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে ওঠেনি। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, প্রতিবছর বড়দিনের আগে পৃথিবীর সিসমিক কম্পন কমে আসার প্রবণতা দেখা যায়।

সূত্র: পপুলার মেকানিকস

সূত্র: প্রথম আলো