|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
৪৪২ পঠিত
বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
আজ ৭ নভেম্বর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীতে পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে। দিবসটি উপলক্ষে এবার আলোচনা সভা, শোভাযাত্...

আজ ৭ নভেম্বর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীতে পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে। দিবসটি উপলক্ষে এবার আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে দলটি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় পালিত হয়েছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’।

এরই ধারাবাহিকতায় হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়ের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. আব্দুল্লাহেল মারুফ ফারুকী, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় কর অপু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজী ফিরুজ মিয়া। এ ছাড়া বাহুবল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান জাহাঙ্গীর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুর রহমান নুমান, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতারা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) উদ্যোগে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার সকালে নগর ভবনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন।

সভাপতির বক্তব্যে মসিক প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা সুরক্ষার ক্ষেত্রে এ দিবস অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। দিবসটি জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেতনায় সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জীবনে বড় বড় অঙ্গীকারের পাশাপাশি ছোট ছোট দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, অসুস্থ ও বয়স্ক মানুষের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বা সহায়তা দেওয়া কিংবা পরিবারের ও সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েও মানবিক দায়িত্ব পালন করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তিনটি ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় মোট ৫৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন।

এদিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগী (র) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইউসুফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও -১০ জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু।

আলোচনা সভায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহফুজুর রহমান,  গফরগাঁও থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার শফিকুল ইসলাম মানিক, বিএনপি'র সাবেক সাধারণ সম্পাদক  শেখ মোহাম্মদ ইসহাক,  সাবেক পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আবদুল্লাহ আল মামুন।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার,  প্রক্টর,   বিভিন্ন  অফিসপ্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের ওপরের তলার সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে মাগুরায় দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে র‍্যালি ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। সকালে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক, চৌরঙ্গী মোড় ও ঢাকা রোড হয়ে ভায়না মোড়ে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বর্ণাঢ্য এই র‍্যালিতে নেতৃত্ব দেন মাগুরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। র‍্যালিতে বিএনপি, যুবদল, কৃষকদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী এবং সমর্থক অংশ নেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক খান হাসান ইমাম সুজা, আলমগীর হোসেনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

নীলফামারীতেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে পৃথকভাবে আলোচনা সভা ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ূন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী,  নীলফামারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ, নীলফামারী জজ আদালতের জিপি আবু মোহাম্মদ সোয়েম এবং নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিল্লাদুর রহমান মামুন। এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। 

অন্যদিকে, নীলফামারী জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলটির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে একটি সার্বভৌমত্ব র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার বিষয়ে বক্তব্য দেন।

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন ও আলোচনা সভা।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. রেজাউন নবী রাজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপমা রায়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত কুমার রায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হুমায়ুন কবির, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোস্তাক আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. রোকনুজ্জামান রাসেল ও আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মতিয়ার রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজেডএম বজলুর রহমান জাহেদ, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম দুলাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহমান আব্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক কশিমউদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ নুরুল হকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এদিকে খুলনার কয়রা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল্লাহ আল বাকির। 

উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আকরাম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শরিফুল আলম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার কর্মকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল জাবির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইন্সট্রাক্টর মো. লোকমান হাকিম, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আনোয়ার হোসেন।

দিবসটি উপলক্ষে এদিন সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে ভোলা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। শহরের মহাজন পট্টি বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে র‍্যালিটি বের হয়ে পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে দলটির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

এর আগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম নবী আলমগীরের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আসিফ আলতাফ সহ অন্যান্য নেতারা।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যোদ্ধাহত পরিবারের সমন্বয়ে আলোচনা সভা, প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ ও দেশাত্মবোধক গানের আয়োজন করা হয়েছে।....

পিরোজপুরের কাউখালীতে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবীর, সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাফিউল আজম দুলাল, সিনিয়র সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষ্ণকান্ত নাথ, সহকারী অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এবং উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আনন্দ র‍্যালি, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে একটি আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মো. আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. খোকন হোসেন, উপপরিচালক মাহফুজুর রহমান, সহকারী রেজিস্ট্রার রিয়াজ কাঞ্চন শহীদ, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি, আব্দুল্লাহ আল নাহিদ, রাকিব মৃধা, কর্মচারী প্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন ও মাহবুব হোসেন।

অন্যদিকে পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। শনিবার দুপুর ১২টায় শহরের সিও অফিস প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালিটি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবস পালন করেছে। উপজেলার পারখিদিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আটঘরিয়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়, আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়, কয়রাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল উচ্চ বিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

সূত্র: কালবেলা