|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ব্রিটিশ পাবে থাই রেস্তোরাঁ, কীভাবে শুরু হলো এই সংস্কৃতি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
১৬২ পঠিত
ব্রিটিশ পাবে থাই রেস্তোরাঁ, কীভাবে শুরু হলো এই সংস্কৃতি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ব্রিটিশ পাব মানেই বিয়ার, মাছ-চিপস কিংবা সসেজ-ম্যাশের মতো পরিচিত খাবার। কিন্তু যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এমন কিছু পাব রয়েছে, যেখানে বিয়ারের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় থাই কারি, প্যাড থাই ও ঝাল-মসলাদার নুডলস। ব্রিটিশ বা আইরিশ মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী পাবে থাই রেস্তোরাঁর এই ব্যতিক্রমী সংমিশ্রণ পরিচিতি পেয়েছে ‘থাইরিশ...

ব্রিটিশ পাব মানেই বিয়ার, মাছ-চিপস কিংবা সসেজ-ম্যাশের মতো পরিচিত খাবার। কিন্তু যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এমন কিছু পাব রয়েছে, যেখানে বিয়ারের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় থাই কারি, প্যাড থাই ও ঝাল-মসলাদার নুডলস। ব্রিটিশ বা আইরিশ মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী পাবে থাই রেস্তোরাঁর এই ব্যতিক্রমী সংমিশ্রণ পরিচিতি পেয়েছে ‘থাইরিশ’ নামে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনের কেনসিংটনের চার্চিল আর্মস পাব এ সংস্কৃতির অন্যতম সূতিকাগার। বাইরে থেকে দেখলে এটি সাধারণ ব্রিটিশ পাব মনে হলেও ভেতরের পেছনের অংশে রয়েছে থাই রেস্তোরাঁ। সেখানে থাইল্যান্ডের পতাকা, ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা এবং নানা ধরনের থাই খাবারের আয়োজন রয়েছে।

১৯৮৫ সালে আইরিশ বংশোদ্ভূত জেরি ও’ব্রায়েন চার্চিল আর্মসের মালিকানা নেন। তখন সেখানে মাছ-চিপস, বেকড আলু ও প্রচলিত ব্রিটিশ খাবার পরিবেশন করা হতো। 

১৯৮৮ সালে থাই রাঁধুনী সংকোট বুনিয়াসারায়ন পাবের রান্নাঘরে খাবার তৈরির প্রস্তাব দিলে প্রথমে দ্বিধায় ছিলেন ও’ব্রায়েন। পরে এক মাসের পরীক্ষামূলক আয়োজন শুরু করেন তিনি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই খাবারের জন্য ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে থাইল্যান্ডে ব্রিটিশ পর্যটকদের যাতায়াত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশটির খাবারের প্রতিও আগ্রহ তৈরি হয়। পরে থাই সরকারের ‘গ্লোবাল থাই ক্যাম্পেইন’ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাই খাবারের প্রসারে ভূমিকা রাখে। বিদেশে থাই রেস্তোরাঁ গড়ে তুলতে নাগরিকদের ঋণসহায়তাও দেওয়া হয়।

বর্তমানে লন্ডনের প্রায় ৩০টি ঐতিহ্যবাহী পাবে থাই রেস্তোরাঁ রয়েছে। কোনোটি পেছনের কক্ষে, আবার কোনোটি ওপরতলার আলাদা জায়গায় পরিচালিত হয়।

লন্ডনের বিভিন্ন পাবে প্যাড থাই, মাসামান কারি, পানাং কারি ও মসলাদার ভাজা নুডলস বেশ জনপ্রিয়। রেস্তোরাঁ সংশ্লিষ্টদের মতে, থাই খাবারের ঝাল, টক, মিষ্টি ও নোনতা স্বাদের সঙ্গে বিয়ারের মেলবন্ধনই এই ব্যবসার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।

দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের স্কেহানস পাবেও রয়েছে থাই রেস্তোরাঁ। থাই রাঁধুনী চার্লিন ‘চাই’ স্কেহান এটি পরিচালনা করেন। তার রান্নাঘরে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক থাই রাঁধুনী লন্ডনের অন্য পাবে কাজ করছেন। এভাবেই শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ‘থাইরিশ’ সংস্কৃতি।

থাই রাঁধুনী চাইয়ের কথায়, পাবের খাবারের তালিকায় থাই খাবারের যথাযথ জায়গা রয়েছে।
  
সূত্র: বিবিসি

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স