|
| |
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
৩২৭ পঠিত
ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে সাতক্ষীরায় এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে সাতক্ষীরায় এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দেবহাটা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি দেবহাটা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামে। সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে গত রোববার এক ব্যক্তি মামলাটি করেন। এতে উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিসান বাবুলকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া আবদুল্লাহ আল মামুন ও সাহেব আলীর সাবেক স্ত্রীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছয়-সাত মাস আগে পারিবারিক কারণে বাদী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে তাঁর সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের যোগাযোগ হয়। সাবেক স্ত্রীর কাছে থাকা তাঁদের দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে আসামিরা বাদীকে পাঠান। এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর ‘সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল’ নামের একটি ফেসবুক আইডি এবং ১ নভেম্বর আবদুল্লাহ আল মামুনের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে তাঁর (বাদী) ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বাদী প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আমার কাছে টাকা দাবি করছিলেন আসামিরা। প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং সর্বশেষ এক লাখ টাকা চান তাঁরা। টাকা না দেওয়ায় তাঁরা ভিডিও ছড়িয়ে দিতে থাকেন। পরে নিরুপায় হয়ে থানায় মামলা করি।’

সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলার আসামি আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো