|
| |
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

মানবিক সহায়তা নিয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
৩০৮ পঠিত
মানবিক সহায়তা নিয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কারও প্রয়োজন ওষুধ কেনার টাকা, কারও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার খরচ। কেউ খাবারের অভাবে দিন কাটাচ্ছেন, আবার কেউ বয়সের ভারে অসহায় হয়ে পড়েছেন। এমন নানা সংকট নিয়ে প্রতিদিনই মানুষ ছুটে আসছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। তাদের কথা শুনছেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। সরকারি নিয়ম ও সামর্থ্যের মধ্যে থেকে অ...

কারও প্রয়োজন ওষুধ কেনার টাকা, কারও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার খরচ। কেউ খাবারের অভাবে দিন কাটাচ্ছেন, আবার কেউ বয়সের ভারে অসহায় হয়ে পড়েছেন। এমন নানা সংকট নিয়ে প্রতিদিনই মানুষ ছুটে আসছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।

তাদের কথা শুনছেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। সরকারি নিয়ম ও সামর্থ্যের মধ্যে থেকে অসহায় মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে আর্থিক ও খাদ্যসহায়তা।

প্রতি বুধবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মানবিক সহায়তাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। অসুস্থ রোগী, অসচ্ছল শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ আসেন সহযোগিতার আশায়। আবেদনকারীদের প্রয়োজন বিবেচনা করে সহায়তার ব্যবস্থা করছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, আর্থিক সংকটে থাকা অনেক মানুষ চিকিৎসা শিক্ষা ও খাদ্যসহায়তার জন্য তার কাছে আসেন। তাদের মধ্যে কাউকে ওষুধ কেনার জন্য ২ হাজার, কাউকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অসচ্ছল পরিবারের জন্য চালসহ খাদ্যসহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।

তিনি বলেন, ক্যানসার কিডনিসহ জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে সরকারি নিয়মে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অর্থাভাবে কোনো শিক্ষার্থী যাতে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কিংবা ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন; সে বিষয়েও সহযোগিতার চেষ্টা করা হয়।

জেলা প্রশাসকের সহায়তা পাওয়া ৭০ বছর বয়সী আমিনা খাতুন বলেন, ‘আমার কোনো সন্তানাদি নেই। স্যার আমাকে দুই হাজার টাকা দিয়েছেন।’

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমার পায়ের অবস্থা দেখে চিকিৎসার জন্য টাকা দিয়েছেন, কিছু চালও দিয়েছেন। আমার স্ত্রী দুই বছর আগে মারা গেছেন। ছেলে থাকলেও আমার দেখাশোনা করার কেউ নেই। অসহায় অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকি। ওষুধ কেনার টাকাও জোগাড় করতে পারি না।’

রাজশাহীতে দায়িত্ব পালনের প্রায় সাড়ে ছয় মাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর আগামী মাসে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামীণ খেলাধুলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: কালবেলা