|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

শীর্ষ কয়েকটি ক্রিপ্টো হ্যাকিংয়ের ঘটনা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম
২৩৪ পঠিত
শীর্ষ কয়েকটি ক্রিপ্টো হ্যাকিংয়ের ঘটনা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
২০২১ সালের আগস্টে পলি নেটওয়ার্কে প্রায় ৬১ কোটি ডলারের হ্যাকিং হলেও হ্যাকার নিজেই প্রায় সব অর্থ ফেরত দিয়ে দেয়।

ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের বিস্তার, ব্লকচেইনের নিরাপত্তাত্রুটি ও বৈশ্বিক সাইবার অপরাধের গভীরতার কারণে ক্রিপ্টো খাতে হ্যাকিংয়ের ঘটনা বাড়ছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি দুনিয়ায় সাইবার আক্রমণ এবং হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ৬৩০ কোটি ডলারের বাইন্যান্স হ্যাকিং থেকে শুরু করে অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বড় কেলেঙ্কারি ডিজিটাল সম্পদের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। হ্যাকিংয়ের সময় ক্ষতির পরিমাণ বিশাল হলেও অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী সময় কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও ফ্রিজ করার মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ তহবিল পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

হ্যাকিংয়ের তালিকায় দেখা যায়, ২০২৬ সালের অক্টোবরে বাইন্যান্সে প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের রেকর্ড পরিমাণ হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে। তবে বাইন্যান্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ই হি জানান, এর মধ্যে ২৮৩ কোটি ডলারের বেশি অর্থ এরই মধ্যে ফ্রিজ করা হয়েছে এবং সব ক্ষতি বাইন্যান্স নিজে বহন করবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাইবিট এক্সচেঞ্জে প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটে। এফবিআই এ ঘটনার পেছনে উত্তর কোরিয়ার হাত রয়েছে বলে চিহ্নিত করেছে। পরবর্তী সময় গ্রাহকদের তহবিল সুরক্ষা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২০২২ সালের মার্চে রনিন নেটওয়ার্ক বা অ্যাক্সি ইনফিনিটিতে প্রায় ৬২ কোটি ডলার সমপরিমাণ ক্রিপ্টো চুরি হয়। উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের দায়ী করা এ ঘটনায় ব্যবহারকারীদের অর্থ পরে ফেরত দেওয়া হয়।

২০২১ সালের আগস্টে পলি নেটওয়ার্কে প্রায় ৬১ কোটি ডলারের হ্যাকিং হলেও হ্যাকার নিজেই প্রায় সব অর্থ ফেরত দিয়ে দেয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে কয়েনচেক এক্সচেঞ্জ থেকে প্রায় ৫৩ কোটি ডলার চুরি হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ইয়েনের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিপ্টো ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যখন মাউন্ট গক্স থেকে প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার বিটকয়েন চুরি হয়। এ ঘটনায় এক্সচেঞ্জটি দেউলিয়া হয়ে যায়। ২০২৪ সাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এ ছাড়া ২০২২ সালের নভেম্বরে এফটিএক্স দেউলিয়া হওয়ার দিনে প্রায় ৪৭ কোটি ডলারের তহবিল বেহিসাবে বেরিয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বরে বিটগেট এক্সচেঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কোটি ডলার চুরি হয়। আবার ২০১৯ সালের মে মাসে বাইন্যান্স থেকে সাত হাজার বিটকয়েন হ্যাক হয়েছিল। সূত্র: ক্রিপ্টো টিকার

টেকবার্তার সঙ্গে যোগাযোগ: techbarta@prothomalo.com

সূত্র: প্রথম আলো