|
| |
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সেদিনের শিশুটি পরে অস্কার জিতেছেন, ৭৩০ কোটি টাকার মালিক

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩০ এএম
২৪০ পঠিত
সেদিনের শিশুটি পরে অস্কার জিতেছেন, ৭৩০ কোটি টাকার মালিক
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে নতুন শহরে আসা কিশোরীর জন্য সময়টা সহজ ছিল না। সংসারের খরচ সামলাতে এবং নিজের জীবন চালাতে ছোটখাটো কাজও করতে হয়েছে তাঁকে।

এমিলি জিন স্টোন। ১৯৮৮ সালের ৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার স্কটসডেলে জন্ম তাঁর। বাবা জেফরি স্টোন একটি নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, মা ক্রিস্টা স্টোন গৃহিণী। ছোট ভাই স্পেন্সারের সঙ্গে বেড়ে উঠেছেন তিনি। এমিলি জিন স্টোনকে চিনতে পারছেন না তো? খোলাসা করা যাক। এমা স্টোন নামেই তাঁকে এখন চেনে সিনেমার দুনিয়া। জন্মদিন উপলক্ষে আলো ফেলা যাক তাঁর জীবন ও ক্যারিয়ারে।
শৈশব থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল এমার। মাত্র ১১ বছর বয়সে ‘দ্য উইন্ড ইন দ্য উইলোস’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে মঞ্চে অভিষেক হয় তাঁর। এরপর স্থানীয় ভ্যালি ইয়ুথ থিয়েটারে একের পর এক নাটকে অভিনয় করেন। স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি অভিনয় ও ইমপ্রোভাইজেশন কমেডির চর্চা চলতে থাকে।

কিন্তু কেবল স্থানীয় থিয়েটারে অভিনয় করে সন্তুষ্ট থাকতে চাননি এমা। তাঁর স্বপ্ন ছিল হলিউডে কাজ করার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে একসময় বাবা-মায়ের কাছে অভিনব একটি পরিকল্পনা নিয়ে হাজির হন তিনি। তৈরি করেন একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন। নাম দেন ‘প্রজেক্ট হলিউড’। সেখানে লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়ে অভিনয়ের চেষ্টা করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। ম্যাডোনার ‘হলিউড’ গানটি ছিল সেই উপস্থাপনার অনুষঙ্গ।

শেষ পর্যন্ত মেয়ের স্বপ্নকে সমর্থন করেন এমার মা–বাবা। ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেসে চলে আসেন এমা। স্কুলের প্রচলিত শিক্ষা ছেড়ে অনলাইনে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শুরু করেন অডিশন দেওয়া।

তবে হলিউডে পা রেখেই সাফল্য পাননি তিনি। ডিজনি চ্যানেলসহ বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানের জন্য অডিশন দিয়েও কাজ পাচ্ছিলেন না। কখনো কয়েক মাস ধরে কোনো অডিশনের ডাকই আসত না। অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে নতুন শহরে আসা কিশোরীর জন্য সময়টা সহজ ছিল না। সংসারের খরচ সামলাতে এবং নিজের জীবন চালাতে ছোটখাটো কাজও করতে হয়েছে তাঁকে।

পরে সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমা জানান, অভিনয়ের অডিশন তাঁর কাছে কখনো চাকরির সাক্ষাৎকার, কখনো প্রথম ডেট, আবার কখনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতার মতো মনে হতো। প্রতিদিন নতুন আশায় অডিশনে যেতেন, আবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে ফিরতেন।

প্রথম সুযোগ থেকে পরিচিতি
২০০৪ সালে ভিএইচ১-এর রিয়েলিটি প্রতিযোগিতা ‘ইন সার্চ অব দ্য নিউ পার্ট্রিজ ফ্যামিলি’–তে অংশ নেন এমা। সেখানে লরি পার্ট্রিজ চরিত্রের জন্য নির্বাচিত হন তিনি। তখনো নিজের নাম ব্যবহার করতেন এমিলি স্টোন। যদিও অনুষ্ঠানটির পরিকল্পিত ধারাবাহিক শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি, এই অভিজ্ঞতা তাঁর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই পরিচয় হয় তাঁর দীর্ঘদিনের ম্যানেজার ডগ ওয়াল্ডের সঙ্গে।

এরপর ‘ম্যালকম ইন দ্য মিডল’, ‘মিডিয়াম’সহ কয়েকটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৭ সালে ‘ড্রাইভ’ নামের টেলিভিশন ধারাবাহিকেও কাজ করেন তিনি। একই বছর ‘সুপারব্যাড’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। ছবিতে জুলস চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজরে আসেন।
পরবর্তী সময়ে ‘দ্য হাউস বানি’, ‘জম্বিল্যান্ড’, ‘পেপার ম্যান’ও ‘ঘোস্টস অব গার্লফ্রেন্ডস পাস্ট’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেন। তবে ক্যারিয়ারের প্রথম বড় সাফল্য আসে ২০১০ সালে।

‘ইজি এ’ বদলে দেয় ভাগ্য
২০১০ সালে মুক্তি পায় কমেডি সিনেমা ‘ইজি এ’। এতে অলিভ পেন্ডারগাস্ট চরিত্রে অভিনয় করেন এমা। সিনেমাটি মুক্তির পর তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়। বিশেষ করে কমেডি ও আবেগের মিশেলে চরিত্রটিকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়ে। এই সিনেমার জন্য প্রথমবারের মতো গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারে মনোনয়ন পান তিনি।

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১১ সালে ‘দ্য হেল্প’ এবং ‘ক্রেজি, স্টুপিড, লাভ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। দুই ছবিতেই তাঁর অভিনয় প্রশংসা পায়। বিশেষ করে স্টিভ ক্যারেল ও রায়ান গসলিংয়ের সঙ্গে অভিনয় করে নিজের জায়গা আরও শক্ত করেন।

এমা স্টোন! এএফপি

২০১২ সালে ‘দ্য অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান’ সিনেমায় গুয়েন স্টেসি চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের সঙ্গে তাঁর পর্দার রসায়ন দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়। ২০১৪ সালে সিনেমাটির দ্বিতীয় কিস্তিতেও অভিনয় করেন তিনি।

এ সময় ‘গ্যাংস্টার স্কোয়াড’, ‘দ্য ক্রুডস’ ও ‘ম্যাজিক ইন দ্য মুনলাইট’-এর মতো সিনেমায় কাজ করেন। ২০১৪ সালে ব্রডওয়েতে ‘ক্যাবারে’ নাটকে স্যালি বোলস চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে মঞ্চেও নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন।

অস্কারের মঞ্চে দুইবার সেরা
২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বার্ডম্যান’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথমবার অস্কারে মনোনয়ন পান এমা। ছবিতে মাইকেল কিটনের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এ সিনেমায় তাঁর অভিনয় সমালোচকদের কাছেও প্রশংসিত হয়।
তবে এমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় বাঁক আসে ২০১৬ সালে। ড্যামিয়েন শ্যাজেলের ‘লা লা ল্যান্ড’ সিনেমায় মিয়া ডোলান চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। হলিউডে অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখা এক তরুণীর সংগ্রাম, প্রেম ও স্বপ্নভঙ্গের গল্পে নিজের অভিজ্ঞতার ছায়াও খুঁজে পেয়েছিলেন এমা।

রায়ান গসলিংয়ের সঙ্গে তাঁর অভিনয় দর্শককে মুগ্ধ করে। সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে সাফল্য পাওয়ার পাশাপাশি এমার ক্যারিয়ারেও নতুন উচ্চতা তৈরি করে। এই ছবির জন্য গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা ও অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান তিনি।
২০১৭ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসেন। ফোর্বসের হিসাবে ওই বছর তাঁর আয় ছিল প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

তবে কেবল বাণিজ্যিক সাফল্যের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখেননি এমা। ২০১৭ সালে ‘ব্যাটল অব দ্য সেক্সেস’ সিনেমায় টেনিস কিংবদন্তি বিলি জিন কিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০১৮ সালে ‘দ্য ফেভারিট’ সিনেমায় অভিনয় করে আবারও অস্কারে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর মনোনয়ন পান। অলিভিয়া কোলম্যান ও র‍্যাচেল ওয়েইজের সঙ্গে তাঁর অভিনয় ছবিটিকে বিশেষ মাত্রা দেয়।

‘লা লা ল্যান্ড’ ছবির দৃশ্য। আইএমডিবি

২০২১ সালে ডিজনির ‘ক্রুয়েলা’ সিনেমায় নামভূমিকায় অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয়তা পান। ফ্যাশন, অন্ধকার মনস্তত্ত্ব ও প্রতিশোধের গল্পে তৈরি চরিত্রটিতে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন তিনি।

‘পুওর থিংস’ দিয়ে নতুন ইতিহাস
এমার অভিনয়জীবনে সবচেয়ে আলোচিত কাজগুলোর একটি ২০২৩ সালের সিনেমা ‘পুওর থিংস’। গ্রিক নির্মাতা ইয়োর্গোস লানথিমোসের পরিচালনায় বেলা ব্যাক্সটার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। অদ্ভুত কল্পজগৎ, মানুষের পরিচয়, স্বাধীনতা ও আত্ম-আবিষ্কারের গল্পে নির্মিত সিনেমাটিতে তাঁর অভিনয় ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং।
চরিত্রটির জন্য শারীরিক ভাষা, হাঁটাচলা, কথা বলার ধরন থেকে শুরু করে আবেগের প্রকাশ—সবকিছুতেই নতুন করে নিজেকে তৈরি করতে হয়েছিল তাঁকে। সিনেমাটি মুক্তির পর প্রশংসার পাশাপাশি একাধিক পুরস্কার অর্জন করে।

২০২৪ সালে এই ছবির জন্য দ্বিতীয়বারের মতো সেরা অভিনেত্রীর অস্কার জেতেন এমা। একই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য গোল্ডেন গ্লোব ও বাফটাও পান। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেন, তিনি কেবল জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন, জটিল ও ব্যতিক্রমী চরিত্রেও নিজের দক্ষতা দেখাতে সক্ষম।

এরপর লানথিমোসের সঙ্গে ‘কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস’ সিনেমায় কাজ করেন। ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বুগোনিয়া’–তেও তাঁকে দেখা যায়। ছবিতে মিশেল ফুলার নামের এক বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ষড়যন্ত্রতত্ত্বে বিশ্বাসী দুই  তরুণ তাঁকে অপহরণ করে ভিনগ্রহের প্রাণী বলে সন্দেহ করে—এমন গল্প নিয়েই ছবিটি।

২০২৬ সালের অস্কারেও ‘বুগোনিয়া’র জন্য সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পান এমা। ছবিটি সেরা চলচ্চিত্রসহ মোট চারটি বিভাগে মনোনয়ন পায়। ফলে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও তাঁর অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

এমা স্টোন। এএফপি

অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক
নিজের ক্যারিয়ারকে শুধু অভিনয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি এমা। ২০২০ সালে স্বামী ডেভ ম্যাককারির সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্রুট ট্রি’। প্রতিষ্ঠানটি এ২৪-এর সঙ্গে কাজ করছে।

এই প্রতিষ্ঠানের প্রযোজিত কাজের মধ্যে রয়েছে ‘হোয়েন ইউ ফিনিশ সেভিং দ্য ওয়ার্ল্ড’, ‘প্রবলেমিস্তা’, ‘আই স দ্য টিভি গ্লো’, ‘এ রিয়েল পেইন’, ‘দ্য কার্স’ ও ‘বুগোনিয়া’। অভিনয়ের পাশাপাশি কোন ধরনের গল্প পর্দায় আসবে, সে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও এখন ভূমিকা রাখছেন এমা।

নিজের পছন্দের নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি করাও তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম উদ্দেশ্য।

কত সম্পদের মালিক এমা স্টোন?
দীর্ঘদিনের অভিনয়জীবন, বড় বাজেটের সিনেমা, পুরস্কার, বিজ্ঞাপনের চুক্তি এবং প্রযোজনা ব্যবসা—সব মিলিয়ে উল্লেখযোগ্য সম্পদের মালিক হয়েছেন এমা।
সেলিব্রিটি নেট ওয়ার্থের ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৩২ কোটি টাকা।

২০১৭ সালে ফোর্বসের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন তিনি। সে বছর তাঁর আয় ছিল ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ‘লা লা ল্যান্ড’, ‘দ্য অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান’ ও ‘ক্রুয়েলা’র মতো সিনেমা তাঁর আয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রেম, বিয়ে ও সংসার
এমা স্টোনের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আলোচনায়। ‘দ্য অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান’ সিনেমায় অভিনয়ের সময় সহশিল্পী অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১১ সাল থেকে তাঁদের সম্পর্ক শুরু হয়। পর্দার বাইরেও তাঁদের রসায়ন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ ছিল। প্রায় চার বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০১৫ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।

এরপর ২০১৬ সালে ‘স্যাটারডে নাইট লাইভ’ অনুষ্ঠানে অতিথি সঞ্চালক হিসেবে অংশ নিতে গিয়ে পরিচয় হয় লেখক ও পরিচালক ডেভ ম্যাককারির সঙ্গে। ম্যাককারি তখন অনুষ্ঠানটির লেখক ও নির্মাতা হিসেবে কাজ করতেন। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, পরে প্রেম। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে বাগ্‌দানের ঘোষণা দেন তাঁরা। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বিয়ে করেন।

২০২১ সালের মার্চে তাঁদের ঘরে আসে কন্যাসন্তান লুইস জ্যাঁ ম্যাককারি। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে এমার দাদি জ্যাঁ লুইসের নামের সঙ্গে মিলিয়ে। মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবন ও কাজের দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন এনেছে বলে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

স্বামী-সন্তানকে নিয়ে ব্যক্তিগত জীবন আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন এমা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি খুব একটা সক্রিয় নন। ব্যক্তিগত মুহূর্ত প্রকাশের চেয়ে পরিবার ও কাজকে সময় দেওয়াই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

ভ্যারাইটি, পিপল ডটকম ও আইএমডিবি অবলম্বনে

সূত্র: প্রথম আলো