|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:২৩ এএম
৩১৮ পঠিত
সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢেউ ও স্রোতের টানে ভেসে যাওয়া মোহাম্মদ শান্ত ইসলাম (১৫) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সৈকতে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন কোস্টগার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচকর্মীরা। নিহত শান্ত...

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢেউ ও স্রোতের টানে ভেসে যাওয়া মোহাম্মদ শান্ত ইসলাম (১৫) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সৈকতে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন কোস্টগার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচকর্মীরা।

নিহত শান্ত ইসলাম ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা মোজ্জামেল হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ১৫ থেকে ১৬ জন মাদ্রাসাছাত্রের একটি দল ইনানী সৈকতে বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সাগরে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে ঢেউ ও স্রোতের টানে কয়েকজন শিক্ষার্থী ভেসে যেতে থাকে। এ সময় সৈকতে থাকা লোকজন তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। পরে ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও শান্ত নিখোঁজ ছিলেন।

জেলা প্রশাসনের সৈকতে নিয়োজিত বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম জানান, শান্ত নিখোঁজ হওয়ার পর বিচকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সাগরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার আরও বলেন, উদ্ধার করা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর কক্সবাজারের হিমছড়ির পেঁচার দ্বীপ সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে পাঁচ পর্যটক নিখোঁজ হন। ওই দিন বিকেলে তাদের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও বিচকর্মীরা বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পরপর এমন ঘটনায় কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাগরে গোসলে নামার সময় ঢেউ ও স্রোতের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং উদ্ধারকর্মীদের নির্দেশনা মেনে চলার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স