|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সংযোগ সড়ক নেই, এক দশক ধরে অকেজো পড়ে আছে সেতু

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
২৯৫ পঠিত
সংযোগ সড়ক নেই, এক দশক ধরে অকেজো পড়ে আছে সেতু
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
নির্মাণের এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। ব্যয় হয়েছে সরকারি অর্থ, তৈরি হয়েছে সেতু। কিন্তু এক পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি আজও পড়ে আছে অকেজো। ফলে সেতু নির্মাণের সুফল তো মিলছেই না, বরং আগের মতোই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এমনই চিত্র গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের বামনজল দোলাপাড়া...

নির্মাণের এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। ব্যয় হয়েছে সরকারি অর্থ, তৈরি হয়েছে সেতু। কিন্তু এক পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি আজও পড়ে আছে অকেজো। ফলে সেতু নির্মাণের সুফল তো মিলছেই না, বরং আগের মতোই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এমনই চিত্র গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের বামনজল দোলাপাড়া খালের ওপর নির্মিত সেতুর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বামনজল গ্রামের মণ্ডলপাড়া ও দোলাপাড়া এলাকার মানুষের উপজেলা সদর ও মীরগঞ্জ হাটে যাতায়াতের সংক্ষিপ্ত পথ হলো আব্দুল মজিদ মণ্ডল হাফেজিয়া মাদ্রাসা-আব্দুর রহমান ব্যাপারির বাড়ি-কান্দি সড়ক। কিন্তু মাঝপথে খালের ওপর সেতু না থাকায় যুগের পর যুগ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের।

স্থানীয়দের এ দুর্ভোগ লাঘবে অন্তত ১০ বছর আগে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের ‘গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সেতুর উত্তর পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে বর্ষাকালে কোমরসমান পানি জমে থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যায় তাদের।

স্থানীয়রা জানান, সেতুটি নির্মাণের সময় তাদের আশা ছিল, এটি চালু হলে তাদের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে, কৃষিপণ্য হাটবাজারে নিতে সহজ হবে এবং এলাকার শিক্ষার্থীরা খুব সহজে স্কুল যেতে পারবে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় তাদের সেই আশা আজও পূরণ হয়নি। এখনো আগের মতোই বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয় শিক্ষার্থী কোহেলি আক্তার, অনন্যা ও ফাতেমা খাতুনসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি একপাশে সংযোগ সড়ক নেই। অনেক টাকা ব্যয় করে সেতুটি তৈরি করা হলেও তা কোনো কাজে আসছে না। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায় আমাদের। খালে কোমড় সমান পানি থাকে। অনেক দূর ঘুরে স্কুলে যেতে হয়। রোগী ও কৃষকদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, সেতুতে সংযোগ সড়ক না থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স