|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সিরিশ কাগজের দাগ মুছল না আট বছরেও, কী হয়েছিল কেপটাউনে

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
২৪০ পঠিত
সিরিশ কাগজের দাগ মুছল না আট বছরেও, কী হয়েছিল কেপটাউনে
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
‘স্যান্ডপেপারগেট’ নামে পরিচিত সেই ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে লজ্জার সেই অধ্যায়ের শেষ সম্ভবত এখনো লেখা হয়নি।

২০১৮ সালের ২৪ মার্চ, কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে টেলিভিশন ক্যামেরা ধরে ফেলেছিল ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে। রিভার্স সুইংয়ের জন্য বলের এক পাশ ঘষে রুক্ষ করতে সিরিশ কাগজ ব্যবহার করছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই ওপেনার। ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর সেটি প্যান্টের ভেতর লুকানোর চেষ্টা করেন তিনি।

‘স্যান্ডপেপারগেট’ নামে পরিচিত সেই ঘটনার আট বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে লজ্জার সেই অধ্যায়ের শেষ সম্ভবত এখনো লেখা হয়নি। এ সপ্তাহে ঘটনাটি আবার আলোচনায় এসেছে উসমান খাজার আত্মজীবনী ‘সবর’–এর কল্যাণে।

খাজার দাবি, বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন অস্ট্রেলিয়া দলের সবাই। অথচ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) তদন্তে দায়ী করা হয়েছিল মাত্র তিনজনকে। নতুন করে সামনে আসা এই দাবি আবার অস্বীকার করেছেন তখনকার কোচ ড্যারেন লেম্যান। এ নিয়ে আবারও আলোড়ন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে। অনেকে তাই খুঁজছেন কেপটাউনের সেই ঘটনা, সেদিন আসলে কী ঘটেছিল? বল বিকৃতির দায় কি সত্যিই ছিল শুধু তিনজনের?

কেপটাউনে সেদিন কী হয়েছিল

২০১৮ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। চার টেস্টের সিরিজটি শুরু থেকেই ছিল উত্তপ্ত। ডারবানে প্রথম টেস্টে ডেভিড ওয়ার্নার ও কুইন্টন ডি ককের মধ্যে ড্রেসিংরুমের সিঁড়িতে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। মাঠেও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। পোর্ট এলিজাবেথে দ্বিতীয় টেস্টেও বিতর্কের কমতি ছিল না। কাগিসো রাবাদা, ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথকে ঘিরে একের পর এক ঘটনায় মাঠের বাইরের আলোচনা বড় হয়ে উঠেছিল।

সেই উত্তপ্ত সিরিজের তৃতীয় টেস্টেই ঘটে যায় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনাটি। নিউল্যান্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের ৪৩তম ওভারের পর আম্পায়াররা ব্যানক্রফটের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর পকেটে কী আছে, তা জানতে চাইলে ব্যানক্রফট আম্পায়ারদের একটি কালো সানগ্লাসের কেস দেখান। কিছুক্ষণ পর তাঁকে হলুদ বস্তুটি প্যান্টের ভেতর লুকাতে দেখা যায়।

ব্যানক্রফটের পকেটে কী আছে জানতে চেয়েছিলেন আম্পায়াররা

দিনের খেলা শেষে ব্যানক্রফট ও অধিনায়ক স্মিথ সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন, বলের অবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছিল। তবে তখনো সিরিশ কাগজ ব্যবহারের কথা বলেননি তাঁরা। স্মিথ জানান, মধ্যাহ্নবিরতিতে দলের ‘লিডারশিপ গ্রুপ’ এই পরিকল্পনা করেছিল। তিনি অধিনায়ক হিসেবে দায় স্বীকার করেন। কিন্তু ‘লিডারশিপ গ্রুপে’ কারা ছিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর আর পরিষ্কার হয়নি।

তিনজনের শাস্তি, কোচের বিদায়

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরদিন সকালেই স্মিথ ও সহ-অধিনায়ক ওয়ার্নারকে নেতৃত্বের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। টিম পাইনের নেতৃত্বে চতুর্থ দিন মাঠে নেমে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটিতে ৩২২ রানে হারে। এই ম্যাচের পর স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তে বলা হয়, বল বিকৃতির পরিকল্পনার মূল হোতা ছিলেন ওয়ার্নার। ব্যানক্রফটকে সিরিশ কাগজ ব্যবহারের কৌশলও তিনিই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। স্মিথ পরিকল্পনার কথা জানতেন, কিন্তু তা ঠেকাতে পারেননি। পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যও দিয়েছিলেন। তদন্তে তিনজনকেই দায়ী করা হয়।

ডেভিড ওয়ার্নারকে ঘটনার মূল হোতা বলেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

ওয়ার্নার ও স্মিথকে ১২ মাস করে এবং ব্যানক্রফটকে ৯ মাসের জন্য আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্নারকে আজীবনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো ধরনের ক্রিকেটে অধিনায়কত্বে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়।

এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে তাঁরা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তো খেলতেই পারেননি, স্মিথ ও ওয়ার্নারকে সরিয়ে দেওয়া হয় আইপিএল থেকেও। ব্যানক্রফটের কাউন্টি ক্রিকেটের চুক্তিও বাতিল করে সমারসেট। তদন্তে বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার প্রমাণ না পেলেও কোচ ড্যারেন লেম্যান শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব ছেড়ে দেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ টেস্টের আগে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

বাংলাদেশে স্মিথ–ওয়ার্নার

অস্ট্রেলিয়ায় খেলা মানা, সেই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিপিএলে খেলতে আসেন স্মিথ ও ওয়ার্নার। ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি মিরপুরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ও সিলেট সিক্সার্সের ম্যাচে মুখোমুখিও হন দুজন। স্মিথ ছিলেন কুমিল্লার অধিনায়ক, ওয়ার্নার সিলেটের। বল টেম্পারিং–কাণ্ডের পর সেটিই দুজনের একই ম্যাচে আবার খেলা। স্মিথ অবশ্য মাত্র দুই ম্যাচ খেলেই চোটের কারণে বিপিএল ছেড়ে যান। ওয়ার্নার খেলেছিলেন সাত ম্যাচ।

বহুল আলোচিত সেই ঘটনার পর ঢাকায় প্রথম ক্রিকেট মাঠে মুখোমুখি ওয়ার্নার ও স্মিথ

আট বছর পর খাজার বিস্ফোরক দাবি

আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হওয়ার কথা খাজার আত্মজীবনী ‘সবর’। তার আগে ৭ নভেম্বর নাইন নিউজপেপারসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া দলের সবাই জানতেন—‘ব্যাটসম্যান নয়, বোলার নয়, স্টাফ নয়, আমরা সবাই।’

খাজার প্রশ্ন, পুরো দলের দায়ের ভার শুধু তিনজনের ওপরই কেন বর্তাবে? দায় নিতে হবে সবার। ঘটনার পর ড্রেসিংরুমে তিনি স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে বলেছিলেন, পুরো দল মিলে দায় নেওয়া উচিত। কিন্তু সেটি হয়নি। শেষ পর্যন্ত ওই তিনজনকেই জনসমক্ষে অপমানিত হতে হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হয়েছে।

লেম্যানের অস্বীকার, অর্থের প্রশ্ন

তবে খাজার বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন তৎকালীন কোচ লেম্যান। এবিসি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডকে তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না সবাই জানত।’ বল বিকৃতি ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে হয়ে আসছে মন্তব্য করলেও ২০১৮ সালের পরিকল্পনায় দলের সবাই যুক্ত ছিলেন, এমন দাবি মানতে নারাজ তিনি।

খাজার বই প্রকাশের সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন লেম্যান। বলেছেন, ‘বই তো বিক্রির জন্যই। সে অবসর নিয়েছে, এখন এসব বলছে। আমি জানি না, এসব লেখার জন্য সে কত টাকা পাচ্ছে। তবে সম্ভবত অনেক টাকা পাচ্ছে।’

তবে ঘটনাটি তাঁর জন্যও যে মানসিকভাবে কঠিন ছিল, সেটি স্বীকার করে বলেছেন, ঘটনার পর তিনি চার মাস বাড়ি থেকেই বের হননি।

নিষিদ্ধ হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরেছিলেন ওয়ার্নার–স্মিথ–ব্যানক্রফটরা

স্মিথের ভূমিকা নিয়েও নতুন তথ্য

কোচের দিক থেকে প্রশ্ন ওঠার পর এ নিয়ে চুপ থাকেননি খাজা। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পাঁচ মিনিটের ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ২০১৮ সালেই মুখ খুলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু স্মিথ তাঁকে চুপ থাকতে বলেছিলেন। স্মিথ একাই দায় নিতে চেয়েছিলেন।

২০২১ সালে আবারও পুরো দলের সম্মিলিত দায় নেওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছিলেন খাজা। কিন্তু এর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার চার বোলার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন যৌথ বিবৃতিতে জানিয়ে দেন, বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে তাঁরা কিছুই জানতেন না। তাঁদের দাবি, বলের অবস্থা পরিবর্তনে মাঠে কোনো বাইরের বস্তু ব্যবহারের বিষয়টিও তাঁদের জানা ছিল না। ফলে খাজা আর এগোননি।

ব্যানক্রফট অবশ্য এর আগেই বোলারদের জানার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ২০২১ সালে ‘দ্য গার্ডিয়ান’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, বোলাররা বল বিকৃতির কৌশল সম্পর্কে জানতেন কি না, ‘তা তো বোঝাই যায়’ (সেলফ–এক্সপ্লানেটরি)। তাঁর সেই বক্তব্যের পরই চার বোলার যৌথ বিবৃতি দেন। খাজার নতুন দাবি সেই পুরোনো বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক কামিন্স বইটি নিয়ে আগেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। রয়টার্সকে তিনি বলেছিলেন, খাজা তাঁকে বই প্রকাশের বিষয়টি জানিয়েছেন। তাঁর উত্তর ছিল, ‘নো ওয়ারিজ, নিজের গল্প বলো।’ তবে বইয়ের ভেতরে কী লেখা আছে, তা তিনি জানতেন না বলে জানিয়েছিলেন কামিন্স।

কেপটাউন টেস্টের মাঝপথে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব হারিয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ

আট বছর পরও যে প্রশ্নের উত্তর মেলেনি

বল টেম্পারিংয়ের সেই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট তিনজনই পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছিলেন। স্মিথ এখনো অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য।

ওয়ার্নার ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর ওপর আরোপিত নেতৃত্বের নিষেধাজ্ঞাও ২০২৪ সালে প্রত্যাহার করা হয়। বিগ ব্যাশে সিডনি থান্ডারের অধিনায়কত্বও করেছেন। ব্যানক্রফটও জাতীয় দলে ফিরেছিলেন, যদিও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার আর আগের জায়গায় পৌঁছায়নি। কেপটাউনের পর ২০১৯ অ্যাশেজের প্রথম দুই টেস্টই তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

অন্যদিকে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল তখন। ঘটনার পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া দলের সংস্কৃতি পর্যালোচনা করে। খেলোয়াড়দের আচরণ, দলের পরিবেশ এবং জয়ের জন্য অতিরিক্ত চাপের সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে ঠিক কারা জানতেন, সেই প্রশ্নের উত্তর আর মেলেনি।

উসমান খাজার নতুন বইয়ের মাধ্যমে আবার আলোচনায় বল টেম্পারিং

সেই দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও

গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট সফরও পুরোনো স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ২০১৮ সালের পর প্রথমবার দেশটিতে টেস্ট খেলতে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তিন টেস্টের সিরিজের প্রথমটিতে ডারবানে ২১৪ রানে জিতলেও পরের দুই টেস্টে ইনিংস ও ৩১ রান এবং ১৭৬ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে ২-১ ব্যবধানে।

সফর শুরুর আগে ২০১৮ সালের সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবার পোস্ট করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার সম্প্রচারক সুপারস্পোর্ট। সঙ্গে লিখেছিল, ‘আমাদের ক্যামেরা এবারও ধারালো থাকবে।’

এবারের সফরে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ২০১৮ সালের ঘটনার সময়কার চার বোলার কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউড ও লায়ন। স্মিথও ছিলেন দলের সঙ্গে। অর্থাৎ আট বছর পরও সেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বা বিতর্কের মধ্যে আসা অনেকেই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের অংশ। গত সপ্তাহে সেই সফর শেষ হওয়ার পর সামনে এসেছে আট বছর আগের নেপথ্যের কিছু ঘটনা। গতকাল ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে খাজা বলেছেন, ‘আমি আমার শৈশবের বন্ধু ডেভিড ওয়ার্নারের কাছে সত্য বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, যাতে সে একটি গল্প বলতে পারে।’

বোঝা যাচ্ছে, বল টেম্পারিংয়ের সেই গল্পটা এখানেই শেষ হচ্ছে না। সামনে আরও আছে। আর প্রশ্নটা তো এখনো অমীমাংসিতই—তিনজনই দায়ী, নাকি সবাই?

সূত্র: প্রথম আলো