|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

১৭ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫ শিক্ষক, পাস করলেন মাত্র একজন

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
৩৮৯ পঠিত
১৭ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫ শিক্ষক, পাস করলেন মাত্র একজন
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সরকারি কারিগরি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ১৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছেন ১৬ জন। পাসের হার মাত্র ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অথচ কলেজ শাখায় কর্মরত রয়েছেন ১৫ জন শিক্ষক। এমন ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়ে...
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সরকারি কারিগরি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ১৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছেন ১৬ জন। পাসের হার মাত্র ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অথচ কলেজ শাখায় কর্মরত রয়েছেন ১৫ জন শিক্ষক। এমন ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত শনিবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জীবননগর উপজেলার এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন চিত্র সামনে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৭ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র একজন। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৬ জন। কেউ জিপিএ-৫ পাননি। এদিকে কলেজ শাখায় ১৫ জন শিক্ষক ছাড়াও সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এত শিক্ষক ও জনবল থাকার পরও পরীক্ষার এমন ফলাফল নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক কালবেলাকে বলেন, সন্তানদের ভালো ফলাফলের আশায় কলেজে ভর্তি করাই। কিন্তু এত শিক্ষক থাকার পরও যদি শিক্ষার্থীরা পাস করতে না পারে, তাহলে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কোথায়? তিনি আরও বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। শুধু শিক্ষক থাকলেই হবে না, নিয়মিত পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের প্রতি নজরদারিও নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে জীবননগর সরকারি কারিগরি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. ইমরুল কাদির কালবেলাকে বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। বিষয়টি আমাদের জন্য হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি না থাকা, পড়াশোনায় অমনোযোগী এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সংকটও রয়েছে। উচ্চতর গণিত, ইংরেজি এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা দুর্বল ছিল। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছি। আগামীতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, দুর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ পাঠদান এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ফলাফল আর না হয়, সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স