|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

মামলা তুলে না নেওয়ায় নারীর বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:৫৪ এএম
৩৭০ পঠিত
মামলা তুলে না নেওয়ায় নারীর বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আদালতে বিচারাধীন মামলা তুলে না নেওয়ায় এক নারীর বসতঘরে আগুন দেওয়া ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে ওই পরিবার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মোহনগঞ্জ থা...
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আদালতে বিচারাধীন মামলা তুলে না নেওয়ায় এক নারীর বসতঘরে আগুন দেওয়া ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে ওই পরিবার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মোহনগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী হেপি আক্তার (৩৯)। অভিযোগে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ছয়-সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। হেপি আক্তার উপজেলার বড়তলী বানিহারী ইউনিয়নের শুকদেবপুর গ্রামের লাল মিয়ার মেয়ে। বিয়ের পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করেন। অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের কামাল হোসেন (৪২), তার দুই ভাই দেলোয়ার হোসেন (৪৫) ও মোফাজ্জল (৩৮), তাদের ভাতিজা আলীম (২৬) এবং বারহাট্টা উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের বিল্লাল হোসেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমিজমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কামাল হোসেন ও তার পরিবারের সঙ্গে হেপি আক্তারদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর কামালসহ অন্যরা হেপি আক্তারকে মারধর করে জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় পরদিন হেপির স্বামী বাদী হয়ে কামাল মিয়ার বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। হেপি আক্তারের অভিযোগ, মামলাটি আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে গত রোববার (২৫ অক্টোবর) অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন। এর জেরে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে কামাল ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় বসতঘরের দরজা-জানালায় কোপানোর পাশাপাশি বাড়িতে থাকা পুরোনো একটি বসতঘরে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। হেপি আক্তার বলেন, ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ কারণে তারা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে শুকদেবপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে হেপি আক্তার, তার বাবা লাল মিয়াসহ পরিবারের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। বাড়িটি তালাবদ্ধ দেখা গেছে। প্রতিবেশী আব্দুল বারেক বলেন, আগুনের ঘটনার পর থেকে পরিবারের লোকজন বাড়িতে নেই। তারা কোথায় গেছেন, তা তিনি জানেন না। অভিযোগ অস্বীকার করে কামাল হোসেন বলেন, তারা আগুন দেওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। প্রতিহিংসাবশত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে। তারা পলাতক নন, এক আত্মীয়ের বাড়িতে আছেন। হেপি আক্তারদের সঙ্গে জমি নিয়ে সামান্য বিরোধ রয়েছে। এর আগেও মারধরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স