|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

‘পরিবারকেন্দ্রিক ভালোবাসার সময় উপযোগী একটি গল্প’

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:৩০ এএম
৩৯৪ পঠিত
‘পরিবারকেন্দ্রিক ভালোবাসার সময় উপযোগী একটি গল্প’
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
মজা করে তিশা বলেন, ‘ভাইয়েরা, আমাদের বসে থাকার ভিডিও না করে চলুন, আমরা “হ্যাপিলি ম্যারিড” দেখি।’
সিনেমাটির প্রিমিয়ারে তারকা ও কলাকুশলীরা

গাড়ি থেকে নামতেই আরিফিন শুভকে ঘিরে ধরলেন সংবাদকর্মীরা। তাঁরা সবাই এই অভিনেতার হেঁটে আসার দৃশ্যটা ক্যামেরাবন্দী করছিলেন। সরাসরি হলরুমে চলে গেলেন শুভ। সেখানে মাঝামাঝি সারিতে সালাহউদ্দিন লাভলুসহ অনেকেই বসে ছিলেন। সেখানেই গিয়ে বসলেন শুভ। তার পরপরই এলেন নুসরাত ইমরোজ তিশা,শুভর সঙ্গে জমে ওঠে আড্ডা। তাঁদের ঘিরে তখন সংবাদকর্মীদের ক্যামেরা।

একপর্যায়ে মজা করে তিশা বলেন, ‘ভাইয়েরা, আমাদের বসে থাকার ভিডিও না করে চলুন, আমরা “হ্যাপিলি ম্যারিড” দেখি।’ কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো ওয়েব সিনেমার প্রদর্শনী।

প্রিমিয়ারের আগে আড্ডায় মেতে ওঠেন আরিফিন শুভ ও তিশা

চরকি প্রযোজিত ও ছবিয়াল সহ–প্রযোজিত মিনিস্ট্রি অব লাভ প্রকল্পের ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম। ওয়েব ফিল্মটি আজ রাত ১২টায় চরকিতে মুক্তি পাচ্ছে। মুক্তির আগে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সিভিক সেন্টারে এটির প্রিমিয়ার হয় গত সোমবার।

সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। প্রিমিয়ারের পরে অভিনয়ের জন্য বেশ প্রশংসা পাচ্ছিলেন এই অভিনেতা। সেই সঙ্গে সবাইকে বলছিলেন, ‘আপনারা আমাদের “হ্যাপিলি ম্যারিড” সিনেমাটি সবাই দেখুন। সবাইকে দেখতে বলুন।’ দর্শক সিনেমাটি কেন দেখবে, এমন প্রশ্নে শুভ বলেন, ‘যাঁরা বিয়ে করেছেন, যাঁরা বিয়ে করবেন, তাঁরা ওয়েব ফিল্মটি অবশ্যই দেখুন। এটা বিবাহিত অবিবাহিত অনেকের জন্যই অনেক কিছুই শেখাবে। দেখলেই বুঝবেন। আর যদি বলেন বিবাহিত জীবনে হ্যাপি থাকার রেসিপি কী? তাহলে আমি বলব, বিবাহিত জীবনে হ্যাপি থাকার রেসিপি হ্যাপিলি ম্যারিড। আর প্রতি সপ্তাহে একবার করে হ্যাপিলি ম্যারিড দেখা। প্রতি শুক্রবারে সিনেমাটি দেখলেই আপনি হ্যাপিলি ম্যারিড থাকতে পারবেন।’

আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল

ফিল্মটিতে শুভকে ঘরের সব কাজ করতে, রান্না করতে দেখা গেছে। বাস্তবে কী রান্না করতে পারেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ডিম সেদ্ধ, ডিম ভাজি, চা, কফি, নুডলস রান্না করতে পারি। ভাত রান্না শিগগির শিখে ফেলব। পুরো রপ্ত করতে পারিনি।’

সিনেমাটির সহ–প্রযোজক অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা জানান, মিনিস্ট্রি অব লাভের ১২টি গল্পের একটি হ্যাপিলি ম্যারিড। তিনি বলেন, ‘পরিবারকেন্দ্রিক ভালোবাসার সময় উপযোগী একটি গল্প। এর মধ্যে দুটি জেনারেশনের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। তাদের ইমোশন কেমন হয়, সেটা তুলে ধরা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে এমন গল্প দর্শকেরা পছন্দ করবেন। কারণ, এখন দর্শকের রুচির পরিবর্তন হয়েছে। আমরা খুবই হ্যাপি।’

সিনেমায় আনিস আর অনামিকার বিবাহিত জীবনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। তাঁরা দুজন দুই প্রজন্মের মানুষ। দুজনের মাঝে বয়সের বড় একটি ব্যবধান। আনিস কিছুটা সেকেলে। চাকরি আর সারাক্ষণ বাসায় রান্না, গাছগাছালির পরিচর্যা নিয়েই থাকেন।

কথা বলছেন চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি, পাশে আরিফিন শুভ

অন্যদিকে তাঁর বউ অনামিকা চটপটে। বেশির ভাগ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকেন। দুজনের নানা বিষয়ে মতের অমিল। এ দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল।

কেয়া পায়েল বলেন, ‘এই গল্পে দর্শকেরা আমাকে ভিন্নভাবে দেখবেন। যেখানে একটি মেয়ে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়। মেয়েটির বিয়ে ও বিয়ের পরের ক্রাইসিস তুলে ধরা হয়েছে। এটি সবার ভালো লাগবে।’

অনুষ্ঠানে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘এটা এই সময়ে বলার মতো একটা গল্প। মানুষ তার চারপাশ নিয়ে এত চিন্তিত থাকে যে সময়টা বা জীবনটা উপভোগ করতে ভুলে যায়। এই কনটেন্টটা কিছুটা হলেও দর্শককে নিজের মতো করে সময় কাটানোর সুযোগ করে দেবে।’ এতে আরও অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, আরেফিন জিলানী, তুষার খান।

সূত্র: প্রথম আলো