|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পাওয়া গেলে আটকের নির্দেশ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:১৬ এএম
৩৪৮ পঠিত
সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পাওয়া গেলে আটকের নির্দেশ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পাওয়া গেলে আটক ও গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। কিশোর গ্যাং নির্মূলে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এ জন্য প্রতিরোধমূল...

সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পাওয়া গেলে আটক ও গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। কিশোর গ্যাং নির্মূলে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এ জন্য প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে পুলিশ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনবিষয়ক এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ছেলে-মেয়েদের ওপর অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ নেই। যে বয়সে তাদের বই-খাতা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে সময়ে বিকেলেই তাদের রাস্তায় ঘুরতে দেখা যায়। বিভিন্ন ধরনের অঙ্গভঙ্গি ও শিস দেওয়ার মতো আচরণও করছে তারা। এসব কিশোর কেন বিপথে যাচ্ছে, পরিবারে শাসন কোথায়- সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ডিআইজি বলেন, কিশোর গ্যাং নির্মূলে পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশে কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এ জন্য পুলিশের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তবে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনে শুধু পুলিশের অভিযান যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। এদিন কক্সবাজারে পুলিশের বিভিন্ন দপ্তর ও স্থাপনা পরিদর্শনও করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয় (সদর সার্কেল), কক্সবাজার সদর মডেল থানা, জেলা ট্রাফিক অফিস, সদর কোর্ট এবং পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিস, অস্ত্রাগার, ক্লথিং স্টোর, ডি-স্টোর ও রেশন স্টোর ঘুরে দেখেন।
 

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স