|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

পঞ্চগড়ে বিরল ‘অ্যালবিনো’ জলঢোঁড়া সাপ উদ্ধার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
৩৩২ পঠিত
পঞ্চগড়ে বিরল ‘অ্যালবিনো’ জলঢোঁড়া সাপ উদ্ধার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বিরল বৈশিষ্ট্যের একটি ‘অ্যালবিনো’ জলঢোঁড়া সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সাধারণত এই প্রজাতির সাপের শরীর বাদামি ও কালচে ছোপযুক্ত হলেও, উদ্ধার হওয়া সাপটির গায়ের রঙ একেবারে ব্যতিক্রমী হলদেটে-সাদা।  বন্যপ্রাণী গবেষক ও উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ‘অ্যালবিনিজম’ নামক বিশেষ জন্মগত জিনগত বৈশিষ্ট্য...

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বিরল বৈশিষ্ট্যের একটি ‘অ্যালবিনো’ জলঢোঁড়া সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সাধারণত এই প্রজাতির সাপের শরীর বাদামি ও কালচে ছোপযুক্ত হলেও, উদ্ধার হওয়া সাপটির গায়ের রঙ একেবারে ব্যতিক্রমী হলদেটে-সাদা। 

বন্যপ্রাণী গবেষক ও উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ‘অ্যালবিনিজম’ নামক বিশেষ জন্মগত জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে সাপটির এমন রূপান্তর ঘটেছে।

গত ২৭ অক্টোবর উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের হলদিয়াপুকুর গ্রাম থেকে সাপটি উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও উদ্ধারকারী সংস্থা ‘ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উদ্ধারকর্মী মো. সহিদুল ইসলাম। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন তিনি।

উদ্ধার হওয়া সাপটি সাধারণ মানুষের কাছে জলঢোঁড়া এবং বিজ্ঞানীদের কাছে ‘চেকার্ড কিলব্যাক’ নামে পরিচিত, যার বৈজ্ঞানিক নাম Fowlea piscator। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানান, এটি সম্পূর্ণ নির্বিষ ও মানুষের জন্য নিরীহ একটি প্রজাতি।

প্রাণিবিদদের মতে, অ্যালবিনিজম কোনো রোগ বা আলাদা প্রজাতি নয়; এটি মূলত একটি জন্মগত জিনগত অবস্থা। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রাণীর শরীরে রঙ উৎপাদনকারী উপাদান ‘মেলানিন’ তৈরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ত্বকের স্বাভাবিক রঙ হারিয়ে প্রাণীটি ধবধবে সাদা বা হলদেটে বর্ণ ধারণ করে। অনেক সময় এদের চোখের মণিও লালচে বা ভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। প্রকৃতিতে এ ধরনের অ্যালবিনো সাপ দেখার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

উদ্ধারকর্মী মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্ধারকৃত জলঢোড়া সাপটি সম্পূর্ণ নির্বিষ হলেও এর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন বা ক্ষত রয়েছে। অ্যালবিনিজমের কারণে এটির গায়ের রঙ হলদেটে-সাদা হয়েছে, যা সচরাচর দেখা যায় না। সাপটির শারীরিক সুস্থতা এবং খোলস পরিবর্তনের পর কোনো ধরনের পরিবর্তন আসে কি না, তা নিশ্চিত হতে আমরা এটিকে কিছুদিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখছি। পুরোপুরি সুস্থ হলে এটিকে আবারও অবমুক্ত করা হবে।’

সূত্র: কালবেলা