|
| |
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ইটের আঘাতে স্কুলছাত্রের আহত হওয়ার ঘটনাকে গুলিবিদ্ধ বলে ফেসবুকে প্রচার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
৩২৯ পঠিত
ইটের আঘাতে স্কুলছাত্রের আহত হওয়ার ঘটনাকে গুলিবিদ্ধ বলে ফেসবুকে প্রচার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
গাজীপুরে স্কুলশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবিটি সত্য নয়। তার বাবা জানিয়েছেন, স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে ছোড়া ইটের আঘাতে সে আহত হয়।

‘গাজীপুরে পুলিশের গুলিতে নুরুজ্জামান সামি নামের ১০ বছর বয়সী এক স্কুলশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ’, এমন দাবিতে তিনটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথম ছবিতে স্কুলের পোশাক পরা এক আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালের কেবিনে জরুরি চিকিৎসা দিতে দেখা যায়। অন্য দুটি ছবিতে রক্তাক্ত স্কুলের আইডি কার্ড ও শার্ট দেখা যাচ্ছে।

তবে দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে শিক্ষার্থী নুরুজ্জামান সামির বাবা ইউসুফ রানার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছুটির পর স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে একটি ইটের টুকরা এসে লাগে, যার আঘাতে আহত হয়েছে তার ছেলে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ছবিগুলো পোস্ট করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজসহ দলটির সমর্থিত পেজ, প্রোফাইল ও পাবলিক গ্রুপ থেকে একই দাবি প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরনের এক শর বেশি অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হচ্ছে, চলমান পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে গাজীপুরে পুলিশের গুলিতে ১০ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী নুরুজ্জামান সামি গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

আওয়ামী লীগ-সমর্থিত অ্যাকাউন্টগুলোর পাশাপাশি অন্য পেজ থেকেও একই দাবি প্রচার করা হয়েছে। যেমন Broiler Chicken Party নামের একটি পেজের পোস্টে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘গাজীপুরে পুলিশের গু/লি/তে নুরুজ্জামান সামি নামে ১০ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী গু’লিবি/দ্ধ...! সালাহউদ্দিন বাহিনী কি চায়!’

ঘটনা সম্পর্কে আহত শিক্ষার্থীর বাবা ইউসুফ রানা প্রথম আলোকে জানান, সামি বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। ছুটি শেষে স্কুল থেকে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ছোড়া একটি ইটের টুকরা তাঁর ছেলের কানের পাশে এসে লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মাথায় তিনটি সেলাই দেন।

ছেলে ঝুঁকিমুক্ত কি না, জানতে চাইলে ইউসুফ রানা বলেন, সিটি স্ক্যান ও এক্স-রে করানো হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে এখন শঙ্কামুক্ত। তাঁকে বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং সে বিশ্রামে আছে।

ইউসুফ রানা আরও বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমার ছেলের মাথায় পেছন থেকে একটি ইটের টুকরার আঘাত লেগেছে।’

প্রসঙ্গত, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গতকাল রোববার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন কর্মসূচি চলছে। পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের একাধিকবার সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সূত্র: প্রথম আলো